রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো দেশের জনগণ। জনগণ দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত হলে দেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক সকল ক্ষেত্রে দেশ ভালো থাকবে। সবচেয়ে বড় প্রয়োজন সঠিক শিক্ষা। পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ অর্জন। কুশিক্ষা ও গোরামী মানুষকে ধ্বংস করে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। জাতীয় জীবনে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে যা মানব জীবনের জন্য অপরিহার্য, তা হল সঠিক শিক্ষা, ধর্মীয় অনুশাসন, সংস্কৃতি, খেলাধুলা এবং বিনোদন । তরুণ সমাজ হলো দেশের ভবিষ্যৎ -এই তরুণ সমাজ আগামী দিনে দেশ পরিচালনা করবে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শিল্প সংস্কৃতির বিকাশ সাধন তাদের দ্বারাই ঘটবে। দেশের ভবিষ্যৎ, আগামীর রাষ্ট্র চালিকা শক্তির এই তরুণদের বিরাট অংশ যদি নেশার মরণ ছোবলে বুদ হয়ে থাকে তাহলে জাতীয় জীবনে বড় বিপর্যয় নেমে আসবে। সীমান্তবর্তী বড় রাষ্ট্র ভারত - অপরদিকে মিয়ানমার।পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে কক্সবাজার ও উখিয়ার সীমান্ত দিয়ে নাফ নদী পার হয়ে আসছে ফেনসিডিল, টেপেন্টাডল, গাজা ও মদ । মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা সহ প্রচুর মাদক প্রতিনিয়ত চোরাই পথে প্রবেশ করছে আমাদের দেশে। আর এইসব মাদকে আসত্য হয়ে পড়ছে তরুণসমাজ,দিনে - দিনে এর সংখ্যা বৃদ্ধি হতে চলছে।ধ্বংস হচ্ছে স্বপ্ন, পরিবার, রাষ্ট্রবিনির্মাণের ভবিষ্যৎ-আমাদের তরুণ সমাজ। এই অবস্থা উত্তরণের জন্য সিমান্তবর্তি এলাকায় রাখতে হবে কঠোর নজরদারি। সেই সাথে দেশের যেখানে মাদক বিক্রি হোক না কেন? যারা মাদক পাচারকারী, মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ও মাদক সেবনকারীকে কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। এজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে হতে হবে আরো সবচেয়ে কঠোর দায়িত্বশীল। দেশের প্রত্যেকটি মানুষকে হতে হবে দায়িত্বশীল। তাহলে হয়তো রক্ষা করা সম্ভব হবে মাদকের মরণঘাতি ছোবল থেকে মাদকাসক্ত, আমাদের তরুণ প্রজন্ম কে।আর না হলে একটি হতাশাগ্রস্ত জাতি হয়ে চোখের জলে ভাসাতে হবে নিজের বুক।