অবসরপ্রাপ্তদের বন্ধন আরও দৃঢ় করার প্রত্যয়ে সিএবির নিরাপত্তা শাখার মতবিনিময় সভা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ২০২৬-০৮-০৯ ১১:১০:৩৪
image

সিভিল এভিয়েশন বাংলাদেশ (সিএবি)-এর অবসরপ্রাপ্ত নিরাপত্তা শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংগঠনের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সংগঠনের চলমান কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের পারস্পরিক যোগাযোগ ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও জোরদার করার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
গতকাল ৮ আগস্ট রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি এ টি এম জসিম উদ্দিন। প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক নেছার উদ্দিনের উপস্থাপিত আলোচ্যসূচির ভিত্তিতে সভার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন হাবিব হোসেন চৌধুরী।
সভায় সংগঠনের অতীত কর্মকাণ্ড পর্যালোচনার পাশাপাশি বর্তমান কার্যক্রম এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে সদস্যরা নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। বিশেষ করে অবসরজীবনে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ অটুট রাখা, ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও শক্তিশালী করা এবং তাদের সামাজিক ও মানসিক চাহিদার প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত সদস্যরা বলেন, কর্মজীবনের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে অবসর গ্রহণের পরও সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পারস্পরিক সহযোগিতা, সৌহার্দ্য ও আন্তরিক যোগাযোগ অব্যাহত থাকলে সংগঠনটি শুধু একটি সাংগঠনিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নয়, বরং অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের জন্য একটি শক্তিশালী সামাজিক বন্ধনের ক্ষেত্র হিসেবেও ভূমিকা রাখতে পারে।
সভায় আগামী ৫ ডিসেম্বর ২০২৬ অনুষ্ঠেয় সংগঠনের চতুর্থ মহামিলন আয়োজন নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা করা হয়। মহামিলনকে কীভাবে আরও সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও সার্থকভাবে আয়োজন করা যায়, সে বিষয়ে উপস্থিত সদস্যরা বিভিন্ন প্রস্তাব ও মতামত দেন।
আলোচনায় উঠে আসে, আগামী মহামিলনে দীর্ঘদিনের সহকর্মীদের পুনর্মিলনের পাশাপাশি পারস্পরিক স্মৃতিচারণ, মতবিনিময় এবং আনন্দঘন পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের প্রত্যাশা ও মানসিক চাহিদার বিষয়টিও অনুষ্ঠানের পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করার ওপর জোর দেওয়া হয়।
সভায় সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে মহামিলনের আয়োজনকে আরও অর্থবহ ও স্মরণীয় করে তুলতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি হয়। এ লক্ষ্যে পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, আগামী ৫ ডিসেম্বরের চতুর্থ মহামিলন দীর্ঘ কর্মজীবনের সহকর্মীদের আবারও একই বন্ধনে আবদ্ধ করবে এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পারস্পরিক সম্পর্ক ও সৌহার্দ্য আরও গভীর করবে।