জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণে স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন,দর্শনার্থীদের জন্য খুলছে নতুন অধ্যায়

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ২০২৬-০৮-০৫ ০৯:২৯:৫১
image

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি, দলিল ও সংগ্রামের ইতিহাস ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে প্রতিষ্ঠিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত এ জাদুঘরের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাস সংরক্ষণের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।
বুধবার সকালে জাদুঘরের স্মৃতিফলক উন্মোচনের মাধ্যমে উদ্বোধনী কার্যক্রম শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে সূরা ফাতিহা পাঠ, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধন শেষে তিনি জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ঘুরে দেখেন এবং সেখানে সংরক্ষিত আলোকচিত্র, দলিল, স্মারক ও বিভিন্ন নিদর্শন পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ এবং আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায় নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানসহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
জাদুঘরটি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণ, শহীদ ও আন্দোলনে অংশ নেওয়া মানুষের আত্মত্যাগের দলিল তুলে ধরা এবং নতুন প্রজন্মকে সেই সময়ের ইতিহাসের সঙ্গে পরিচিত করার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনকে রূপান্তর করে এই জাদুঘর গড়ে তোলা হয়েছে। বিভিন্ন প্রশাসনিক ও কারিগরি জটিলতার কারণে এতদিন এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হয়নি। অবশেষে গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সম্পন্ন হলো।
জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্বোধনের দিন কেবল আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য প্রবেশের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য জাদুঘরটি উন্মুক্ত থাকবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান, স্মৃতি জাদুঘর, ইতিহাস সংরক্ষণ