ছোট মহেশখালীতে সবুজ হত্যা মামলা,আওয়ামী লীগ নেতাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা,চাঞ্চল্য!

  • গাজী মোহাম্মদ আবু তাহের,
  • ২০২৬-০৮-০৪ ২৩:৫৬:৩৬
image

মহেশখালী (কক্সবাজার)
উপজেলা মহেশখালীর ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ নলবিলা এলাকায় সংঘটিত আলোচিত সবুজ মিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় মহেশখালী পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগ নেতা খাইর হোসেনসহ ৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া  মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৪ জনকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয় জনমনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে
এলাকায় এ নিয়ে নানা আলোচনা  চলছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন,ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি।
যেভাবে দায়ের হলো মামলা,মামলার বাদী নিহত সবুজ মিয়ার স্ত্রী মোহছেনা বেগম (৪৭)।তিনি দক্ষিণ নলবিলা, ওয়ার্ড নং-৩,ছোট মহেশখালী  ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি মহেশখালী থানায় দায়ের করা মামলায়
অভিযোগ করেন,সংঘটিত হামলার কারণে গুরুতর আহত হন সবুজ মিয়া। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হলে বিষয়টি হত্যা মামলায় রূপ নেয়।
যাদের বিরুদ্ধে মামলা মামলায় নাম উল্লেখ করে অভিযুক্ত করা হয়েছে,নজরুল ইসলাম (৩২),ইয়াছিন আরাফাত  (৩৫), সোহাগ (৩০),শাহাদাত কবির (৪৭)
আবু ছিদ্দিক (৫৫), খাইর  হোসেন (৫০) মহেশখালী পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগ নেতা,শারমিন আক্তার (৩০),রোকসানা আক্তার (৪০),রবিউল আলম(৩২),এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য...স্থানীয়দের মতে,ছোট মহেশখালীতে এ ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নিহতের পরিবার দ্রুত বিচার দাবি করেছে। অন্যদিকে মামলার  তদন্ত নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
পুলিশের তদন্তে গুরুত্ব,আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে,মামলাটি নিয়মিতভাবে রেকর্ড হওয়ার পর তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে।ঘটনাস্থলের তথ্য,প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিপত্র,ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং অন্যান্য আলামত পর্যালোচনা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। হত্যা মামলার ক্ষেত্রে এজাহার তদন্তের সূচনা মাত্র।মামলায় কারও নাম থাকা মানেই তিনি অপরাধী এমনটি আইনের দৃষ্টিতে সঠিক নয়। তদন্তে প্রাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের রায়ের মাধ্যমেই অভিযুক্ত দের দায়-দায়িত্ব নির্ধারিত হবে।
পরিবারের দাবি,নিহত সবুজ মিয়ার পরিবারের দাবি, ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে তারা দ্রুত,স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন।