রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের আনুষ্ঠানিকতা যে কোনো সময়,স্পিকারের ফেরায় জোরালো জল্পনা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • ২০২৬-০৭-২৪ ১৪:৫১:৫৮
image

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার মধ্যেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে বঙ্গভবনের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে। জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের দেশে ফেরার পরই এ বিষয়ে পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।
সূত্র জানায়, স্পিকার দেশে ফেরার পর রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র কবে এবং কীভাবে তার কাছে হস্তান্তর করা হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে তাকে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র জমা দিতে হয়।
চিকিৎসার উদ্দেশ্যে থাইল্যান্ডে অবস্থান করা স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ শুক্রবার (২৪ জুলাই) নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগেই দেশে ফিরেছেন। তার এই আগাম প্রত্যাবর্তনের পর রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে চলমান আলোচনা আরও গতি পেয়েছে।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্পিকার বলেন, তিনি প্রায় এক সপ্তাহ দেশের বাইরে ছিলেন। ফলে এ বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই। তিনি বলেন, আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি। ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে তিনি দেশে ফিরেছেন বলেও জানান।
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবে।
এদিকে বঙ্গভবনের দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তা দাবি করেছেন, রাষ্ট্রপতি কয়েক দিন আগে তাকে ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন যে, তাকে হয়তো দায়িত্ব ছাড়তে হতে পারে এবং চলতি মাসের মধ্যেই বঙ্গভবন ছাড়ার প্রস্তুতি নিতে বলেছেন। তবে ‘ওরা’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে-এ বিষয়ে ওই কর্মকর্তা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার বর্তমান মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তিনজন ভিন্ন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন, যা দেশের সাংবিধানিক ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা।

রাষ্ট্রপতি, স্পিকার, বঙ্গভবন

সাংবাদিকতা-সংক্রান্ত সতর্কতা: এই প্রতিবেদনের কিছু তথ্য (যেমন ‘সব প্রস্তুতি সম্পন্ন’, ‘বঙ্গভবনের দায়িত্বশীল সূত্র’, বা কর্মকর্তার উদ্ধৃতি) আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয় এবং সূত্রনির্ভর দাবি।