শিক্ষা সংস্কারের অকুতোভয় কারিগর: এএনএম এহসানুল হক মিলন ও আগামীর বাংলাদেশ

  • ​নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ২০২৬-০৭-১৪ ১৯:৫৫:১৪
image

​বাংলাদেশের ভঙ্গুর শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে এবং একে একটি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে এএনএম এহসানুল হক মিলনের গৃহীত পদক্ষেপগুলো বর্তমানে দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে। দীর্ঘদিনের অচলায়তন ভেঙে নকলমুক্ত পরীক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং মেধার প্রকৃত মূল্যায়নের প্রশ্নে তাঁর নেওয়া সাহসী সিদ্ধান্তগুলো একটি স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক শিক্ষা পরিবেশ তৈরির ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
​একটি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা অত্যন্ত জটিল ও চ্যালেঞ্জিং কাজ। কোনো বড় ধরনের সংস্কার উদ্যোগ গ্রহণ করলে নানামুখী সমালোচনা হওয়া স্বাভাবিক, যা গণতন্ত্রের অংশ। তবে সমালোচনার ঊর্ধ্বে উঠে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলার মধ্যে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে তাঁর আন্তরিক প্রচেষ্টা ও অটল অঙ্গীকার আজ সর্বমহলে প্রশংসিত। আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার এই লড়াই মূলত ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মেধার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লড়াই।
​তবে এই ইতিবাচক অগ্রযাত্রার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে স্বার্থান্বেষী মহলের অপপ্রচার। সম্প্রতি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তথাকথিত 'বট বাহিনী' (Bot Net) ও গুজব চক্রের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যারা প্রকৃত সত্যকে আড়াল করে বিভ্রান্তি ছড়াতে সচেষ্ট। শিক্ষা খাতের এই শুদ্ধি অভিযানকে যারা বাধাগ্রস্ত করতে চায়, তাদের এই ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সচেতন নাগরিক সমাজকে আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
​বিশ্লেষকদের মতে, এএনএম এহসানুল হক মিলনের এই সংস্কার মিশন কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর এজেন্ডা নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের বৃহত্তর স্বার্থে গৃহীত একটি জাতীয় উদ্যোগ। মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়ন এবং যোগ্য নেতৃত্বের উত্থান নিশ্চিত করার মাধ্যমে তিনি যে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় কাজ করে যাচ্ছেন, তা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা বৈশ্বিক মানদণ্ডে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
​পরিশেষে বলা যায়, নেতিবাচক প্রোপাগান্ডা বা ষড়যন্ত্রের চেয়ে রাষ্ট্রের বৃহত্তর কল্যাণই চূড়ান্ত লক্ষ্য। সংস্কারপন্থী এই অগ্রযাত্রায় সফলতার জন্য প্রয়োজন দায়িত্বশীল নাগরিক সমর্থন ও অটল সতর্কতা। এএনএম এহসানুল হক মিলন তাঁর কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে, সততা ও সাহসিকতার সমন্বয়ে যেকোনো কঠিন লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব।