কুয়েটে ইনোভেটিভ আইডিয়াসমূহের প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

  • শাহেদুজ্জামান শেখ
  • ২০২৬-০৬-২৮ ১৯:১৪:১৪
image

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)-এ বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক সেবাসমূহের ডিজিটালাইজেশন, অটোমেশন এবং সেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে প্রাপ্ত বিভিন্ন উদ্ভাবনী ধারণা নিয়ে “ইনোভেটিভ আইডিয়াসমূহের প্রদর্শনী” অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৮ জুন) বিকাল ৩:৩০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার সেন্টারের ১০১ নম্বর কক্ষে প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন কুয়েটের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ। উদ্বোধনী বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, “বর্তমান বিশ্বে উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবাই একটি আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান চালিকাশক্তি। কুয়েটকে একটি স্মার্ট, শিক্ষার্থীবান্ধব এবং গবেষণাকেন্দ্রিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করতে প্রশাসনিক সেবার ডিজিটাল রূপান্তরের কোনো বিকল্প নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী চিন্তাধারা আমাদের এই অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করবে।” তিনি আরও বলেন, “উদ্ভাবনী চিন্তা ও সৃজনশীল ধারণাই একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। আজকের এই উদ্ভাবনী আইডিয়াগুলোর মধ্য থেকেই ভবিষ্যতে কুয়েটের প্রশাসনিক ও একাডেমিক সেবায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে। আমি আশা করি, এ ধরনের উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভাবনের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং সেরা ধারণাগুলোর বাস্তবায়নের মাধ্যমে কুয়েট আরও আধুনিক, দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।” প্রদর্শনীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তর থেকে মোট ৩০ জন অংশগ্রহণকারী তাদের উদ্ভাবনী আইডিয়া উপস্থাপন ও জমা দেন। উপস্থাপিত আইডিয়াগুলোর মধ্যে প্রশাসনিক কার্যক্রমের ডিজিটালাইজেশন, সেবাপ্রদান পদ্ধতির আধুনিকায়ন, প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমে অটোমেশন এবং সেবার সহজীকরণ-সংক্রান্ত বিভিন্ন সৃজনশীল প্রস্তাব স্থান পায়। জমাকৃত আইডিয়াসমূহ একটি বিশেষজ্ঞ মূল্যায়ন কমিটির মাধ্যমে পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করা হবে। মূল্যায়নের ভিত্তিতে নির্বাচিত সেরা উদ্ভাবনী আইডিয়াগুলোর জন্য আগামী ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে পুরস্কার বিতরণ করা হবে। প্রদর্শনীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডীনবৃন্দ, ইনস্টিটিউট পরিচালকবৃন্দ, বিভাগীয় প্রধানগণ, হল প্রভোস্টবৃন্দ, পরিচালকবৃন্দ, চেয়ারম্যানবৃন্দ, দপ্তর ও শাখা প্রধানগণ, মূল্যায়ন কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং ইনোভেশন টিমের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আশা প্রকাশ করেছে যে, এ ধরনের উদ্ভাবনী উদ্যোগ কুয়েটে সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনের সংস্কৃতিকে আরও বিকশিত করবে এবং উপস্থাপিত সেরা ধারণাগুলোর বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেবাসমূহ আরও কার্যকর, স্বচ্ছ, সময়োপযোগী ও প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠবে।