নতুন কোচ টমাস টুখেলের অধীনে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করেই শক্তির জানান দিল ইংল্যান্ড। গোলবহুল এক লড়াইয়ে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ ব্যবধানে পরাজিত করে ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ থেকেই পূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নিয়েছে থ্রি লায়নরা।
বুধবার ডালাসে অনুষ্ঠিত ‘এল’ গ্রুপের ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণের ছন্দে ছিল ইংলিশরা। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে চাপে রেখে ম্যাচের প্রথম দিকেই গোলের দেখা পায় তারা। অধিনায়ক হ্যারি কেইনের সফল ফিনিশিংয়ে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড।
তবে পিছিয়ে পড়ার পর দ্রুতই ঘুরে দাঁড়ায় ক্রোয়েশিয়া। মার্তিন বাতুরিনার গোলে সমতায় ফিরে ম্যাচে নতুন উত্তেজনা যোগ করে ইউরোপের দলটি।
সমতা ভাঙতে বেশি সময় নেয়নি ইংল্যান্ড। আবারও সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন কেইন। তার দ্বিতীয় গোল ইংলিশদের পুনরায় এগিয়ে দিলেও বিরতির আগে পেতার মুসার গোলে ম্যাচে দ্বিতীয়বারের মতো সমতা ফেরায় ক্রোয়েশিয়া। ফলে ২-২ স্কোরলাইন নিয়েই শেষ হয় প্রথমার্ধ।
বিরতির পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও দৃঢ়ভাবে নিজেদের হাতে তুলে নেয় ইংল্যান্ড। মাঝমাঠে আধিপত্য বিস্তার করে একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে তারা। এরই ধারাবাহিকতায় ৫৮ মিনিটে জুড বেলিংহ্যাম গোল করে দলকে তৃতীয়বারের মতো লিড এনে দেন।
এরপর শেষ দিকে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে নিজের নামও স্কোরশিটে তোলেন মার্কাস র্যাশফোর্ড। তার গোলেই জয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায় ইংল্যান্ডের। শেষ পর্যন্ত ৪-২ ব্যবধানের স্বস্তিদায়ক জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে টুখেলের শিষ্যরা।
ম্যাচটি হ্যারি কেইনের জন্যও ছিল স্মরণীয়। জোড়া গোল করে বিশ্বকাপে নিজের মোট গোলসংখ্যা ১০-এ উন্নীত করেন তিনি। এর মাধ্যমে ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় কিংবদন্তি গ্যারি লিনেকারের পাশে জায়গা করে নেন এই তারকা স্ট্রাইকার।
নতুন কোচের অধীনে ইংল্যান্ডের ফুটবলে ছিল গতি, আক্রমণাত্মক মানসিকতা এবং পরিকল্পনার ছাপ। দুইবার সমতায় ফেরার পরও ক্রোয়েশিয়া শেষ পর্যন্ত ইংলিশদের ধারাবাহিক আক্রমণের চাপ সামলাতে পারেনি।
এই জয়ের ফলে ‘এল’ গ্রুপের শীর্ষে উঠে এসেছে ইংল্যান্ড। অন্যদিকে পরাজয় দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করতে হয়েছে ক্রোয়েশিয়াকে।
কী-ওয়ার্ডস:
ইংল্যান্ড,হ্যারি কেইন,টমাস টুখেল,বিশ্বকাপ ২০২৬,ক্রোয়েশিয়া