কুড়িগ্রামের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আবদার হোসেন বুলুর নামে মিথ্যা অপপ্রচারে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

  • আহম্মেদুল কবির, কুড়িগ্রাম:
  • ২০২৬-০৬-১৬ ১৫:২৫:৩৮
image

কুড়িগ্রাম জেলার অন্যতম রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আবদার হোসেন বুলুর ছেলে এবং ছেলের স্ত্রীকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে চলছে ব্যাপক অপপ্রচার- এমন অভিযোগ এনে তার পরিবারের পক্ষ থেকে এধরণের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
আজ ১৬ জুন মঙ্গলবার সকালে কুড়িগ্রাম শহরের হরিকেশ পাড়া এলাকায় তার পরিবারের লোকজন জানান, ১৩ জুন শনিবার কুড়িগ্রাম ইনসাইডার্স (Kurigram Insiders) নামের একটি ফেক আইডি থেকে একটি ফটোকার্ডের মাধ্যমে ফেসবুকে একটি পোস্ট করে বলা হয়, 'গণভবন লুটকারী মধ্যে থেকে দু'জনের পরিচয় তুলে ধরা হলো। তাদের  পিতা: আবদার হোসেন বুলু, সবাই তাকে চিনে রাখুন'। উক্ত ফটোকার্ডে একদিকে আবদার হোসেন বুলুর ছবি এবং অপরদিকে তার পূত্র জনপ্রিয় ইউটিউবার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর (RNAR) ও তার স্ত্রী গণভবন লুটপাটকারী' উল্লেখ করে ভুয়া এআই ছবি সংযোজন করে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।
পরিবারের লোকজন জানান, আবদার হোসেন  বুলুর বড় পুত্র রাশেদুজ্জামান রাকিব
 ২০১৭ সালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স শেষ করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরী শুরু করে পাশাপাশি সে জনপ্রিয় ইউটিউব কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হয়ে ওঠেন। সে কোন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কোন ভাবেই সম্পৃক্ত নয়। অপর দিকে কোটা বিরোধী আন্দোলনের সময় ৫ আগষ্টের দুদিন পূর্বে আবদার হোসেন বুলু চিকিৎসার জন্য ছোটপুত্র ও স্ত্রীকে নিয়ে ভারতে যান। সেই সময়কালে তিনি ভারতেই ছিলেন। এদিকে ৫ আগস্ট গনভবন লুটপাটকারীরা দলে দলে যখন রাস্তা দিয়ে যাওয়া আসা করছিলো সেই সময় রাকিব ও তার স্ত্রী এক আত্নীয়ের বাড়ি থেকে দাওয়াত খেয়ে রিকসা যোগে ফেরার পথে পরিচিত কিছু ফ্রেন্ড- ফলোয়াররা তাকে চিনে ফেলে এবং রিকসা থামিয়ে একটি ঘড়ি উপহার দিয়ে সেলফি তুলে। অপপ্রচারকারীরা সেই সেলফি ম্যানেজ করে এআইয়ের মাধ্যমে রাকিব ও তার স্ত্রীর অপর আরও একটি ছবিতে হাতে প্লেকার্ড দেখিয়ে ভুয়া ফটোকার্ড বানিয়ে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। রাকিব ও তার স্ত্রীর ৫ আগস্টের পূর্বাপর কোন আন্দোলনের সঙ্গে কখনই জড়িত ছিলো না। অথচ তাদের নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আবদার হোসেন বুলুর পরিবার এ ধরনের অপপ্রচার বিশ্বাস না করার আহ্বান জানিয়েছেন।
এব্যাপারে আবদার হোসেন বুলুর সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমি ভারতের হাসপাতালে শুয়ে মোবাইলে গণভবন লুটপাটের দৃশ্য দেখছিলাম। এরি মধ্যে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আমার ছেলের ঘড়ি উপহার নেয়ার ছবিটি চোখে পড়ে। আমি আওয়ামীলীগ সরকারের এই অন্তিম মহুর্ত্বে ছেলের এধরণের সেলফি তোলা ঠিক হয়নি মোবাইলে ছেলেকে জানাই। ছেলে জানায়, বিষয়টি তার অজান্তেই আকস্মিক ঘটে যায়। এজন্য সে আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে।
 তবে আমার ছেলে ও ছেলের স্ত্রী রাস্তায় দাঁড়িয়ে হাতে প্লেকার্ড নিয়ে কোন প্রতিবাদ মিছিলে কিংবা গণভবন লুটপাটের অংশী হয়েছে বিষয়টি সম্পূর্ন মিথ্যা ও সাজানো এবং আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যই অপপ্রচার করা হচ্ছে বলে মনে করছি।  তিনি এধরণের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।