হারিয়ে যাওয়া সকালের বাঁশি
আজ সকালে একটা অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে।
প্রতিদিন ভোর হলে আমি বটদাদুর ডালে বসে শিস দিই।
টুইট! টুইট! টুইইইট!
আমার শিস শুনে রাহি ঘুম থেকে ওঠে।
অরণ জানালা খুলে আকাশ দেখে।
এমনকি পাশের কাঠবিড়ালিটাও লেজ নেড়ে আমাকে শুভ সকাল জানায়।
কিন্তু আজ...
আমি যতই চেষ্টা করি,আমার গলা দিয়ে কোনো শিস বের হয় না!
একটুও না!
আমি ভীষণ ভয় পেয়ে গেলাম।
তাহলে কি আমার শিস হারিয়ে গেছে?
আমি উড়ে উড়ে রাহির কাছে গেলাম।
রাহি বলল,
-তুমি কি ঠান্ডা কিছু খেয়েছ?
আমি মাথা নাড়লাম।
অরণের কাছে গেলাম।
অরণ বলল,
-তুমি কি বেশি চিৎকার করেছিলে?
আমি আবারও মাথা নাড়লাম।
শেষে আমরা গেলাম বটদাদুর কাছে।
সব শুনে বটদাদু হেসে ফেললেন।
তিনি বললেন,
-শিসু, তুমি আজ ভোরে উঠেই গান গাইতে শুরু করেছ। কিন্তু পানি খেতে ভুলে গেছ!
আমি তখন মনে করার চেষ্টা করলাম।
সত্যিই তো!
কাল বিকেল থেকে আমি এক ফোঁটা পানিও খাইনি।
দ্রুত পুকুরপাড়ে গিয়ে ঠান্ডা পানি খেলাম।
তারপর...
টুইট! টুইট! টুইইইট!
আমার শিস আবার ফিরে এলো!
রাহি হাসল।
অরণ হাততালি দিল।
আর আমি ঠিক করলাম,আজ থেকে যত কাজই থাকুক,পানি খেতে কখনো ভুলব না।
ছোট্ট বন্ধুদের জন্য আজকের শিক্ষা:
পাখি হোক বা মানুষ,শরীর ভালো রাখতে নিয়মিত পানি পান করা খুবই জরুরি।
-তোমরা কি প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি খাও?
--শিসু