চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে সতর্ক বিজিবি’র ৩টি ব্যাটালিয়ন,পুশইনে কোন ছাড় নয়

  • জাকির হোসেন পিংকু,
  • ২০২৬-০৬-১২ ২০:১২:২৫
image

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪টি উপজেলার স্থল ও নদী এবং কাঁটাতারের বেড়া ও বেড়াবিহীন সীমান্তে বিএসএফ কর্তক পুশইন ঠেকাতে কাজ করে যাচ্ছে বিজিবি। সীমান্তে মোতায়েন বিজিবির ৩টি পৃথক ব্যাটালিয়ন রাতদিন এ ব্যাপারে নজরদারি অব্যহত রেখেছে। আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং স্থানীয়  সীমান্তেবাসী জনগনও এ ব্যাপারে বিজিবিকে অব্যহত সহযোগিতা করছেন। বাড়ানো হয়েছে টহল,গোয়েন্দা নজরদোরি ও বিজিবির জনবল। বিজিবি কর্মকর্তারা বলছেন, চলমান পরিস্থিতিতে পুশইনের ব্যাপারে কোন ঢিলেমি করা হবে না। সীমান্তে পেরিয়ে কাউকে ঢুকতে দেয়া হবে না।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক(৫৩ বিজিবি) লে. কর্নেল কাজী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আওতাধীন প্রায় ৫৫ কিলোমিটার সীমান্তে বিজিবি সতর্ক নজর রাখছে। পুশইনের ব্যাপারে শৈথিল্যর সামাণ্য কোন সূযোগ নেই। বিএসএফ পুশইনের কোন চেষ্টা করলেই কঠোরভাবে তা মোকাবেলা করা হবে। জেলার সদর, শিবগঞ্জ উপজেলার একাংশ এবং রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার একাংশ নিয়ে পাহারা দিচ্ছে ৫৩ বিজিবি। কাজ করছে ১৭টি বিওপি ও ২টি চেক পয়েন্টে। সীমান্তে কখনও কোন পয়েন্ট দিয়ে গোপনে পুশইন করানোর কোন সূযোগ রাখছে না বিজিবি। গত প্রায় ২ বছরে এই সীমান্তে একবার পুশইনের ঘটনা ঘটেছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দা ব্যাটালিয়নের(৫৯) অধিনায়ক লে.কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন,সম্প্রতি এই সীমান্তে পুশইনের কোন ঘটনা ঘটেনি। জেলার ভোলাহাট ও শিবগঞ্জের একাংশ সীমান্ত পাহারা দিচ্ছে এই বিজিবি। ১৭টি বিওপি ও ২টি চেকপোষ্ট  থেকে নিয়মিত টহল পরিচালনা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য গত ২ বছরে  ৫৯ বিজিবির আওতাধীণ ভোলাহাট সীমান্তে দিয়ে পুশইনের একাধিক ঘটনা ঘটেছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলা সীমান্ত পাহারা দেয়া নওগাঁ ব্যাটালিয়নের(১৬বিজিবি) অধিনায়ক লে.কর্নেল আরিফুল ইসলাম মাসুম বলেন, এখন এই ব্যাটালিয়নের আওতাধীণ নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে পুশইনের জন্য কারও অবস্থান বা সমাবেশ দেখা যাচ্ছে না। সীমান্ত পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত ৪ জুন  গোমস্তাপুরের বাঙ্গাবাড়ি সীমান্ত দিয়ে ২৮ ২৮ জনেক পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। বিজিবির কঠোর প্রতিরোধে ২দিন সীমান্তে অবস্থানের পর তাঁদের সরিয়ে নেয় বিএসএফ বলে ধারণা করা হচ্ছে। এনিয়ে সীমান্তে টানা ৩দিন উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। গোমস্তাপুর সীমান্তে ৬টি বিওপি কাজ করছে। এই সীমান্তে থেকে পশ্চিমবঙ্গের মালদহ নিকটে হওয়ায়  বারবার এ সীমান্ত দিয়ে পুশইন করে বিএসএফ।