মহেশখালীতে পাহাড়ি এলাকা থেকে ৪ বছরের শিশু উদ্ধার,অভিযানে সফল এএস আই উত্তম বড়ুয়া

  • গাজী মোহাম্মদ আবু তাহের
  • ২০২৬-০৬-০৭ ২০:২২:৪৯
image

কক্সবাজার শহর থেকে নিখোঁজ হওয়া ৪ বছর বয়সী শিশু আলভী হোসেনকে মহেশখালীর বড় মহেশখালী ইউনিয়নের  দেবাঙ্গপাড়া  এলাকার  ১টি পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। 
নিখোঁজের  পর  পরিবারের  করা  সাধারণ ডায়েরির (জিডি) সূত্র ধরে অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার হওয়া শিশুটির নাম আলভী হোসেন। 
সে কক্সবাজার শহরের জেলগেইট এলাকার বাসিন্দা সাদ্দাম হোসেনের ছেলে।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়,গত ৬ জুন বিকেলে কক্সবাজার থেকে রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হয় আলভী। 
দীর্ঘ  সময়  খোঁজাখুঁজির  পরও  তার  কোনো সন্ধান না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে তারা সংশ্লিষ্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
জিডির তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ শিশুটির অবস্থান শনাক্তে  মাঠে  নামে।  তথ্যপ্রযুক্তি  ও স্থানীয় সূত্রের সহায়তায়  মহেশখালী  উপজেলার  বড় মহেশখালী ইউনিয়নের দেবাঙ্গপাড়া এলাকার পাহাড়ি অঞ্চলে অভিযান পরিচালনা করা হয়। 
অভিযানে নেতৃত্ব দেন মহেশখালী থানার এএস আই উত্তম বড়ুয়া।
পুলিশের অভিযানের একপর্যায়ে ওই পাহাড়ি এলাকা থেকে  শিশুটিকে  উদ্ধার করা সম্ভব হয়। উদ্ধারকালে শিশুটি জীবিত ও সুস্থ  অবস্থায় ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।পরে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে রুপবানু নামে এক  নারীকে  চিহ্নিত করা হয়েছে। তার স্বামীর নাম করিম এবং তাদের বাড়ি চকরিয়া উপজেলায়। 
তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কাউকে অপরাধী হিসেবে ঘোষণা করা হচ্ছে না। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সুলতান বলেন, “শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়ার পর আমরা দ্রুত তথ্য সংগ্রহ ও অনুসন্ধান শুরু করি। 
বিভিন্ন সূত্র যাচাই করে দেবাঙ্গপাড়া এলাকার পাহাড়ি অঞ্চলে  অভিযান  চালানো  হয়।  সেখানে  শিশুটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হই। 
ঘটনার পেছনের কারণ ও সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে তদন্ত চলছে।”
শিশুটিকে ফিরে পেয়ে পরিবারের সদস্যরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে শিশুটিকে নিরাপদে উদ্ধারের জন্য পুলিশ প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ, অপহরণের অভিযোগের সত্যতা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। 
তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।