মহেশখালীতে এলজিইডির অর্থায়নে নির্মাণাধীন ল্যান্ডিং স্টেশন পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

  • গাজী মোহাম্মদ আবু তাহের
  • ২০২৬-০৬-০৫ ২১:৪০:১৩
image

মহেশখালী (কক্সবাজার) 
উপকূলীয় অঞ্চলের নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও যাত্রীসেবার মান  বৃদ্ধির লক্ষ্যে নির্মাণাধীন ল্যান্ডিং  স্টেশনের  কাজ  পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী  মীর শাহে আলম। 
শুক্রবার ৫ জুন (শুক্রবার)তিনি মহেশখালী উপজেলায় এলজিইডির অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন নৌপথের ল্যান্ডিং স্টেশনের  চলমান  নির্মাণকাজ  সরেজমিনে  পরিদর্শন করেন।
প্রতিমন্ত্রী  মীর  শাহে  আলম  মহেশখালী জেটিঘাটে পৌঁছালে স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ ও মহেশখালী উপজেলার প্রশসনের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচছা বিনিময় হয়।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী প্রকল্পের বিভিন্ন অবকাঠামোগত কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং নির্মাণকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
 এ সময় কর্মকর্তারা প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি, নির্ধারিত সময়সীমা, নির্মাণমান এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রম সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রীকে বিস্তারিত অবহিত করেন।
পরিদর্শন অনুষ্ঠানে মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসন-এর সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ-এর পক্ষ থেকে প্রতিমন্ত্রীকে পুষ্পিত অভিবাদন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। 
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী এবং বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপকূলীয় দ্বীপাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে নির্মিতব্য এই ল্যান্ডিং স্টেশন বাস্তবায়িত হলে মহেশখালী ও কুতুবদিয়া অঞ্চলের নৌযান চলাচল আরও নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও গতিশীল হবে। 
একই সঙ্গে যাত্রী ওঠানামা, পণ্য পরিবহন এবং জরুরি সেবা কার্যক্রম পরিচালনায়ও উল্লেখযোগ্য সুবিধা সৃষ্টি হবে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, আধুনিক ল্যান্ডিং স্টেশন চালু হলে দ্বীপাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ হবে। এতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন খাতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তারা আশা করছেন।
পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী নির্মাণকাজ নির্ধারিত মান বজায় রেখে দ্রুত সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের প্রত্যন্ত ও দ্বীপাঞ্চলের জনগণকে উন্নত যোগাযোগ সুবিধার আওতায় আনা এবং টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে জনসেবার মান বৃদ্ধি করা।
প্রকল্প-সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হলে মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার মানুষের দীর্ঘদিনের যোগাযোগ-সংক্রান্ত ভোগান্তি অনেকাংশে লাঘব হবে এবং উপকূলীয় অঞ্চলের সামগ্রিক আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এই অবকাঠামো।