কুষ্টিয়ার মিরপুরে সেনাসদস্য বহনকারী একটি বাস ও যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় প্রশিক্ষণরত সেনাসদস্যসহ অন্তত ৬০ জন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
রোববার (৩১ মে) দুপুর ১২টার দিকে পাবনা-কুষ্টিয়া মহাসড়কের তালবাড়িয়া উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তি জিয়া নামে পরিচিত। তিনি একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা ছিলেন। তাঁর বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
পুলিশ, হাসপাতাল ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ঈদুল আজহার ছুটি শেষে খুলনার জাহানাবাদ সেনানিবাসে ফেরার পথে প্রশিক্ষণরত সেনাসদস্যদের বহনকারী একটি ভাড়া করা বাস বগুড়া থেকে খুলনার দিকে যাচ্ছিল। একই সময়ে বিপরীত দিক থেকে আসা হিমেল পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সেটির সরাসরি সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষের তীব্রতায় দুই বাসই দুমড়ে-মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও উদ্ধারকর্মীরা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসক একজন যাত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন।
আহত সেনাসদস্যরা জানান, তারা নতুন রিক্রুট হিসেবে প্রশিক্ষণে রয়েছেন। ঈদের ছুটিতে বাড়িতে যাওয়ার পর কর্মস্থলে ফেরার সময় এই দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। বাসটিতে ৪২ জন সেনাসদস্য ছিলেন এবং সবাই কমবেশি আহত হয়েছেন।
হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে অন্তত ১০ জন সেনাসদস্যকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণের পর ফিরে গেছেন।
কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার জসীম উদ্দীন হাসপাতালে আহতদের খোঁজখবর নিয়ে বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, একটি লিচুবাহী পিকআপকে পাশ দিতে গিয়ে দুই বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তবে প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
কী-ওয়ার্ডস: কুষ্টিয়া দুর্ঘটনা,সেনাসদস্য আহত,বাস সংঘর্ষ