চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় পুরোনো বিশ^স্ত রাখালকে সাথে নিয়ে চট্রগাম থেকে গরু কিনতে এসে ওই রাখাল গরু ব্যবসায়ী মাািলকের নগদ ১০ লক্ষ টাকা,একটি স্মার্টফোন ও একটি ব্যাংক চেক বই নিয়ে পালিয়ে যাবার ৩ সপ্তাহ পর ওই রাখাল ও তাঁর সহযোগি সহ দু’জনকে ফেনী ও চট্রগাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে নাচোল থানার পুলিশ। তাঁদের নিকট থেকে উদ্ধার হয়েছে নগদ ৬ লক্ষ ৭৪ হাজার টাকা, চুরির ১ লক্ষ ২৭ হাজার টাকায় কেনা একটি অটোরিক্সা, ৫১ হাজার টাকার ৪টি অটোরিক্সার ব্যাটারি, চুরি যাওয়া ফোন ও চেক বই। গত মঙ্গলবার(১২মে) তাঁদের গ্রেপ্তারের পর বৃহস্পতিবার(১৪মে) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আদলতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়,গত ২১ এপ্রিল নাচোলের সোনাইচন্ডী হাটে রাখাল সবুজ মিয়াকে (৩০) সাথে নিয়ে গরু কিনতে যান ব্যবসায়ী জুয়েল বনিক (৪০)। হাটে রাখাল সবুজের নিকট টাকা,ফোন ও চেক বইয়ের একটি ব্যাগ রেখে গরু দেখার সময় সূযোগ পেয়ে পালিয়ে যান সবুজ। অনেক খুঁজেও তাঁকে না পেয়ে ওইদিন নাচোল থানায় মামলা করেন ব্যবসায়ী জুয়েল বনিক। তিনি চট্রগামের হাটহাজারী থানার মদুনাঘাট এলাকার সাধন কান্তের ছেলে। অপরদিকে সবুজ ভোলার লালমোহন থানার রায়চাঁদ গ্রামের মৃত নূর হোসেন হাওলাদারের ছেলে। বর্তমানে তিনি এই মামলায় গ্রেপ্তার তাঁর শ্মশুড় ও চুরির সহযোগি চট্রগ্রামের সাতকানিয়া থানার খাগরিয়া ফৌজদারগোনা এলাকার মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে মো.ইউসুফের(৬৫) এলাকায় বসবাস করেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, জুয়েল বনিকের গরুর খামারে ১৫ বছর যাবৎ কর্মরত বিশ^স্ত রাখাল সবুজ তাঁর স্ত্রী ও শ্মশুড়ের প্ররোচনায় চুরির কাজটি করেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসবাদে স্বীকার করেছেন। তাঁকে ফেনীর দাগনভুঁইয়া থানা এলাকা ও তাঁর শ্মশুড় ইউসুফকে একই দিন সাতকানিয়া থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ বলেন, একটি টিম গঠন করে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ওই দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অপর আসামী সবুজের স্ত্রীকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। মামলার তদন্ত চলমান বলেও জানান ওসি।