গোমস্তাপুরে স্কুল ফিডিং এর খাবারে দেড়শতাধিক শিক্ষার্থী ‘এলার্জি’-তে আক্রান্ত

  • জাকির হোসেন পিংকু,
  • ২০২৬-০৪-২৭ ১২:৫২:১১
image

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের মকরমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী সরকারি ‘স্কুল ফিডিং’ প্রকল্পের খাবার খেয়ে ‘এলার্জি’-তে আক্রান্ত হবার পর কর্তৃপক্ষ খাবার  সরবরাহ আপাতত: আংশিক বন্ধ রেখেছে। নির্দেশণা অনুযায়ী এনজিও ‘গাক’ সরবরাহকৃত পাউরুটি,ডিম ও কলা আপাতত বন্ধ থাকবে। তবে ‘প্রাণ’ সরবরাহকৃত দুধ ও বিস্কুট সরবরাহ অব্যহত থাকবে। ‘ডিম’ খেয়ে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ বোধ করেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
জানা গেছে,রোববার(২৬ এপ্রিল) রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে  সরবরাহকৃত খাবার খেয়ে ১৫০-১৬০ জন শিক্ষার্থী মূলত: ‘চুলকানি’তে আক্রান্ত হন। প্রধান শিক্ষক মমতাজ খাতুন বিষয়টি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ইসাহাক আলীকে জানালে তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ই্উ্এনও) জাকির মুন্সিকে ঘটনাটি জানান। এরপর তাঁরা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা.আব্দুল হামিদকে ঘটনাটি জানালে তিনি একজন চিকিৎসক ও একজন উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসারের সমন্বয়ে একটি ‘মেডিক্যাল টিম’ গঠন করে ওই স্কুলে পাঠান। ওই টিম  শিক্ষার্থীদের উপসর্গ অনুযায়ী চিকিৎসা দিলে বেশিলভাগই অল্প সময়ে সেরে উঠে। কাউকে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হয় নি।
ইউএনও বলেন, দুপুর  ১২টার দিকে ঘটনাটি জানার পর উর্ধতণ কর্তৃপক্ষকে জাননো হয়েছে। ‘গাক’ সরবরাহকৃত ৩টি খাবারের ব্যাপারে আমরা সন্তুষ্ট নই।  খাবারের মানের কারণে সম্প্রতি জেলা সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলাতেও স্কুল ফিডিং বন্ধ রয়েছে। গোমস্তাাপুরেও পরবর্তী নির্দেশণা না দেয়া পর্যন্ত কার্যক্রমের আওতার ৩টি খাবার বন্ধ থাকবে। দুটি চলবে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, ওই ইউনিয়নের আরও ৫টি স্কুলসহ উপজেলার  বাকী ১১৮টি স্কুল থেকে কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। চিকিৎসা দেবার পর বাচ্চারা সুস্থ হয়ে ওঠে। অনেকে পরে ক্লাসও করে। বড় কোন অঘটন ঘটে নি। গরমে ডিম থেকে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। রাত পর্যন্ত এ ব্যাপাওে আর কোন সমস্যার কথা জানা যায় নি।
ইউএইচএফপিও বলেন, ঠিক কি কারণে বাচ্চারা এলার্জিতে আক্রান্ত হল তা বলা মুশকিল। তবে এখন সকলেই সূস্থ।