কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলের ক্ষেত্রে ‘বন্ধুপ্রতিম’ দেশগুলোর জন্য টোল বা ফি মওকুফ করেছে ইরান। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই-এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মস্কোয় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি জানিয়েছেন, আপাতত কয়েকটি দেশের জন্য এই বিশেষ সুবিধা কার্যকর রয়েছে। বিশেষ করে রাশিয়ার মতো মিত্র দেশগুলো এই সুবিধার আওতায় রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এই নীতিতে পরিবর্তন আসতে পারে কি না, তা এখনই নিশ্চিত নয়। তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বর্তমানে এই ব্যতিক্রমী সুবিধা বজায় রাখতে কাজ করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত সামুদ্রিক চাপ ও চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত কৌশলগত বার্তা বহন করছে। এর মাধ্যমে একদিকে মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা হচ্ছে, অন্যদিকে হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের প্রভাব প্রদর্শনের ইঙ্গিত দিচ্ছে তেহরান।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির বিমানবাহী রণতরী বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জর্জ এইচডব্লিউ বুশ সেন্টকমের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এরই মধ্যে প্রবেশ করেছে।
সেন্টকম জানিয়েছে, রণতরীটি বর্তমানে ভারত মহাসাগর অঞ্চলে অবস্থান করছে এবং ধীরে ধীরে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তবে এটি নতুন মোতায়েন নাকি পূর্বের কোনো বাহিনীকে প্রতিস্থাপন করবে-সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি।
সামগ্রিক পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি ঘিরে কৌশলগত প্রতিযোগিতা এবং সামরিক প্রস্তুতি নতুন করে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
কী-ওয়ার্ডঃহরমুজ প্রণালি,ইরান কৌশল,মার্কিন রণতরী