সেই চুম্বন ছিলো এক পুর্নজীবনের মন্ত্র,
যে মন্ত্র পাঠ করতাম কারন অকারণ ।
বেঁচে উঠতাম মৃত্যুর পরক্ষণেই,
যতবার মরেছি।
জেগে উঠেই....
বাস্তবের পারদে যখন দেখলাম
তরতরিয়ে উঠছে তার ব্যাগ্র আলিঙ্গন ,
ভয় পেলাম !
পরিশুদ্ধ সেতারে বেজে উঠেতো রাগ লহরী,
বাতাসে জ্বলতো এক চিলতে আগুন।
সে আগুনের তাপ নেই,
নিরুর্তাপ।
হঠাৎ হঠাৎ
পাগলা বাতাস এসে ভেসে নিয়ে যায় কত স্বপ্ন
ওমন দুঃখের কি নাম হবে?
জানিনা,
কত রকম দুঃখ ঘরের চালে দোল খেয়ে যায়
কখনও অন্ন নেই, চোখের মাঝে জলও নেই।
গামছা বেধে বেহায়া পেট চেপে ধরেছে
ক্ষুধার্ত নাপিত বৌ।
আহা্ ! আমার দুঃখগুলো কই?
খুঁজেই পাইনা।
প্রেম নয় প্রেম নয়.... ক্ষুধা নাও তুলে,
যদি নিতেই চাও!
পতঙ্গপল্লবে যে আলো ঢেলে দিচ্ছে চাঁদ
সে আলোও চাইনে,
চাই বেঁচে থাকার এক টুকরো প্রতিশ্রুতি ।
হৃদপিণ্ডের কাছাকাছি এসেই
ওরা যেনো গলা বেয়ে উঠতে থাকে কিলবিলিয়ে
যখন বেঁচে থাকার আকুতি মুঠি চেপে ধরে
চোখ তুলে চেয়ে দেখি নীলকষ্ট।
কষ্টের শীল মোহর মেরে দিয়েছে অনায়াসেই।
কোনটা কেড়ে নিতে চাও
মুঠো মুঠো ভরে জীবন থেকে?
ক্ষুধা নাকি প্রেম,
কি চাও তুমি হে অবোধ আত্মা!
যতবার প্রশ্ন করলাম
কে যেনো জাগিয়ে দেয় শিহরণ।
তুমি তোমার মতো চাও
যা পাওয়া যায় স্বপ্ন রৌদ্রের হতে শোষণ।
সামনে দাড়ানো দেখো ক্ষুদার্থ নগ্ন নারী,
তোমার প্রেম আসে কি করে এই দুর্ভিক্ষে।
আর কত চাও !