দেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রপাতের ঘটনায় একদিনেই ১২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে, আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৯ জন। শনিবার সুনামগঞ্জ, রংপুর, ময়মনসিংহ, হবিগঞ্জ ও নেত্রকোনার বিভিন্ন স্থানে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কৃষিকাজের সময় খোলা মাঠ বা হাওরে কাজ করতে গিয়ে এই প্রাণহানি ঘটে।
সংবাদদাতাদের তথ্য অনুযায়ী, সুনামগঞ্জে পাঁচজন, রংপুরে দুইজন, ময়মনসিংহে দুইজন, হবিগঞ্জে একজন এবং নেত্রকোনায় একজনসহ মোট ১১ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে; এছাড়া অন্যান্য স্থানের তথ্য মিলিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ জনে।
নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলায় হাওরে ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে আলতু মিয়া নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়। ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ধান কাটার সময় বজ্রাঘাতে প্রাণ হারান রহমত আলী।
রংপুরের মিঠাপুকুরে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে মিলন মিয়া ও আবু তালেব নিহত হন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা ও দিরাই উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতে পাঁচ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। ঝড়বৃষ্টির সময় হাওরে কাজ করতে গিয়ে তারা এই দুর্ঘটনার শিকার হন।
এছাড়া হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রাঘাতে সুনাম উদ্দিন নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, প্রতিটি ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্ষা ও ঝড়বৃষ্টির মৌসুমে খোলা স্থানে কাজ করার সময় বজ্রপাতের ঝুঁকি বেশি থাকে। এ কারণে আবহাওয়া সতর্কতা মেনে চলা এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
কী-ওয়ার্ডস:
বজ্রপাত মৃত্যু,হাওর দুর্ঘটনা,আবহাওয়া ঝুঁকি