তুমি শুধু শুধুই গন্ডি রেখায় বেঁধে দাও আমাকে
যখন তখন প্রশ্ন তোলো এসব কি মানায় বয়স হয়েছে তো ঢের?
অলীক ভাবনা না ভেবে এসো মুখোমুখি চা খাই দুজনে
উষ্ণতার স্পর্শে কেটে যাবে অনেকটা সময়।
তবুও কোনো প্রশ্ন করিনি তোমায়
রাতবিরেতে ইশারায় ডাকলে বাহানা দেখাও শরৎচন্দ্রে
পার্বতী থেকে রমা কেউই পারেনি সফল হতে
তোমার অতি বই পড়া বুদ্ধির কাছে মাথা নত ছিলো আমার
তাই প্রশ্ন করিনি তোমায়।
মেঘলা আকাশ দেখে আমার মনে জেগেছে অভিসার
স্টিয়ারিং এ হাত রাখতেই ফোনে তোমার সাবধান বাণী
অসময়ে বাইরে বেরিয়ে ঘাস ফড়িং হয়ে যেও না যেন।
থেমে গেছে স্টিয়ারিং
তবুও কোনো প্রশ্ন করিনি তোমায়।
একদিন সমুদ্রের তীর বরাবর হাঁটতে হাঁটতে দেখলাম সবথেকে প্রাচীন ঝিনুকের বুকে লুকানো মুক্তা
তুমি বললে প্রকৃতির সাথে মানুষের বিস্তর ফারাক
সময় অতিক্রান্ত হলে মানুষের শরীরের হৃদপিণ্ড, অলিন্দ সব নড়বড়ে হয়ে যায় স্বাভাবিক নিয়মে
আমি কিন্তু তবুও কোনো প্রশ্ন করিনি তোমায়।
একদিন মাথা উঁচু করে রাখা পাহাড়ের নিচে দাঁড়ালাম
সাহসে ভর করে আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত এর মতো বেরিয়ে এলো
ভালোবাসি ভালোবাসি আমি, একটা চুমু চায় ঠোঁট!
পাহাড় ফিরিয়ে দিলো চতুর্দীকের প্রতিধ্বনি
সে ধ্বনির অনুরণনে তুমি সামনে এসে বললে
একি একি বেয়াক্কেলে কথা!
মুহূর্তেই প্রশ্ন এলো আমার মুখে
কখনও কি শুনেছো প্রেমের বয়স হয়েছে? সে চলে গেছে পরলোকে??