‘সবার জন্য স্বাস্থ্য’ নিশ্চিত করতে সরকার মানবিক ও সমন্বিত স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শহর থেকে গ্রাম—সর্বত্র মানসম্মত চিকিৎসা, মা ও শিশুর পূর্ণাঙ্গ সেবা এবং রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম জোরদারের কথা তুলে ধরেছেন তিনি।
‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে সোমবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আগামীকাল মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিশ্বব্যাপী দিবসটি উদ্যাপিত হবে। এ বছরের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে স্বাস্থ্যসেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সব প্রাণ।
বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তোলা এখন সময়ের বড় অঙ্গীকার। মানুষ, পশুপাখি ও পরিবেশ—এই তিন উপাদানের পারস্পরিক সম্পর্কের ওপরই নির্ভর করে সামগ্রিক সুস্থতা। তাই ‘এক স্বাস্থ্য’ ধারণার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, মানুষের পাশাপাশি প্রাণিকূল ও পরিবেশের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে চিকিৎসাবিজ্ঞান, কৃষিবিজ্ঞান, প্রাণিবিজ্ঞান ও পরিবেশবিজ্ঞানের সমন্বিত গবেষণা এবং টেকসই প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য। আধুনিক বিশ্বে বিজ্ঞানের দ্রুত অগ্রগতি স্বাস্থ্যসেবায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য মানসম্পন্ন ও বৈষম্যহীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তির বিকল্প নেই। দ্রুত ও নির্ভুল রোগ নির্ণয় এবং কার্যকর চিকিৎসা প্রদানে ভার্চুয়াল বাস্তবতা, বর্ধিত বাস্তবতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিংয়ের মতো প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকার প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবা কোনো বিলাসিতা নয়, বরং এটি মানুষের মৌলিক অধিকার—এই নীতিতে বিশ্বাস রেখে সরকার কাজ করছে।
তিনি আরও জানান, একটি মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে এবং তা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।
কী-ওয়ার্ড: বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস, স্বাস্থ্যনীতি, এক স্বাস্থ্য