স্বাধীনতার চেতনায় উদ্ভাসিত জাতি, ৫৬তম দিবসে শ্রদ্ধা ও অঙ্গীকার

  • সকালের আলো প্রতিবেদক
  • ২০২৬-০৩-২৬ ১৩:৩০:৪৪
image

আজ ২৬ মার্চ, মহান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। বাঙালির আত্মপরিচয়, গৌরব ও স্বাধীনতার সূচনালগ্নের দিন এটি। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধের যে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ জ্বলে উঠেছিল, তা-ই পরিণত হয় নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে। সেই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা।
৫৬তম স্বাধীনতা দিবসে আজ সারাদেশে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হচ্ছে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের। জাতীয় স্মৃতিসৌধ-এ ভোর থেকেই শ্রদ্ধার ফুলে ভরে উঠেছে শহীদদের স্মৃতির মিনার। দেশের বিভিন্ন প্রান্তেও পালিত হচ্ছে নানা কর্মসূচি।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রীয়ভাবে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন উদ্যোগ। রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোও আয়োজন করেছে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা কর্মসূচি। সংবাদপত্রগুলো প্রকাশ করেছে বিশেষ ক্রোড়পত্র ও নিবন্ধ, আর বাংলাদেশ ডাক বিভাগ প্রকাশ করেছে স্মারক ডাকটিকিট। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে দেশের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশেষ দোয়া।
এদিকে পৃথক বাণীতে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, ২৬ মার্চ জাতির জীবনে এক গৌরবময় দিন, যা আমাদের সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের চেতনাকে নতুন করে জাগ্রত করে। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতিতা মা-বোন এবং সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে জাতীয় ঐক্য, সহনশীলতা ও দেশপ্রেমের চেতনাকে ধারণ করে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় পালিত হচ্ছে এবারের স্বাধীনতা দিবস। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নেতৃত্বাধীন সরকারের যাত্রার শুরুতেই এই দিবস উদযাপন নতুন প্রত্যাশা ও অঙ্গীকারের বার্তা দিচ্ছে।
মহান এই দিনে জাতি আবারও শপথ নিচ্ছে-শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষা করে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার।

কী-ওয়ার্ড: স্বাধীনতা দিবস ২০২৬, মুক্তিযুদ্ধ, জাতীয় অঙ্গীকার