চাঁপাইনবাবঞ্জের ৩টি আসনে ফল বিপর্যয়ের জন্য বিতর্কিত জেলা কমিটি দায়ী-বিএনপি নেতা হারুন

  • জাকির হোসেন পিংকু,
  • ২০২৬-০৩-০৮ ১০:৩৬:০১
image

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি  সংসদীয় আসনে ফলাফল বিপর্যয়ের জন্য বিএনপির জেলা কমিটি অন্যতম দায়ী বলে অভিযোগ করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর-৩ আসনে পরাজিত প্রার্থী,সাবেক এমপি ও চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হারুনুর রশীদ। তিনি জেলা কমিটিকে ‘বিতর্কিত’ বলেও  আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন,জেলার ৩টি আসনে  জামায়াত প্রার্থীদের বিপুল ভোটে জয়ের পর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা এখন ‘রাজাকাজেলা’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এখন এই অবস্থায় সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভাল ফলাফল করতে হলে প্রধানমন্ত্রী  ও দলকে সাংগঠনিক ব্যবস্থার দিকে নজর দিতে হবে।
শনিবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যায় শহরের শহিদ সাটু হলে সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে সদর আসনে বিএনপির নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ও বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষদের নিয়ে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামণায় অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন হারুন। তিনি বলেন, অনুষ্ঠিত নির্বাচন নিয়ে অনেক প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অনেকে অনেক কথা বলছেন। বিএনপি যেন সুষ্ঠুভাবে দেশ চালাতে পারে সেজন্য সকলকে সহযোগিতার আহব্বান জানিয়ে তিনি বেলন, ৫আগষ্ট পরবর্তী সরকার জামায়াত-এনসিপিকে ক্ষমতায় আনেত চেয়েছিল। তারা ব্যর্থ হয়েছে। এদিকে বিরোধি দল আবার বলছে,নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে। তারা সাবেক উপদেষ্টাদের  শাস্তি দাবি করছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে  ২০০৬ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত যেসব নির্বাচন হয়েছে তার সাথে তুলনা করলে তিনি ২০২৬ সালে জেলায় জামায়াতের ফলকে নজিরবিহীন বলে মন্তব্য করেন হারুন। তিনি বলেন, এমনকি বিএনপির  অভেদ্য দূর্গ চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২(নাচোল-গোমস্তাপুর-ভোলাহাট) আসনেও জামায়াত জিতেছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ শিবগঞ্জ আসনেও প্রার্থী শাহজাহান মিয়ার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে  দলের দায়িত্বশীল  অবস্থান থেকে সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন শওকত অবস্থান নিয়েছেন। দলের ভেতর থেকে দলের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে প্রচার চালানো হয়েছে। এসবের তদন্ত দরকার। কোন মেটিকুলাস ডিজাইনে  দেশব্যাপী এই ফলাফল তা সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটের চিত্র দেখেই বোঝা যাবে।
এদিকে হারুনুর রশীদের অভিযোগের জবাবে জেলা কমিটির আহব্বায়ক গোলাম জাকারিয়া বলেন, হারুনের  অভিযোগ সত্য নয়। জেলা কমিটি নিজ উদ্যোগেই দলের প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করেছে। কিন্তু কখনও কোনভাবেই হারুন জেলা কমিটিকে ডাকে নি। পাত্তা দেন নি। মূল্যায়ন করেন নি।