খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬

  • সকালের আলো প্রতিবেদক
  • ২০২৬-০৩-০৬ ১০:২২:৩৭
image

দেশ গঠনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ মোট ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২৬ সালের স্বাধীনতা পুরস্কারজয়ীদের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে সামগ্রিক অবদানের জন্য খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর এই সম্মাননার জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ এবং মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিলকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হবে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অবদানের জন্য অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম এবং চিকিৎসাবিদ্যায় অবদানের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে পুরস্কৃত করা হচ্ছে।
সাহিত্যে অবদানের জন্য ড. আশরাফ সিদ্দিকী মরণোত্তর, সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য হানিফ সংকেত এবং বশির আহমেদ মরণোত্তর সম্মাননা পাচ্ছেন। ক্রীড়ায় অবদানের জন্য জোবেরা রহমান লিনু নির্বাচিত হয়েছেন।
পল্লী উন্নয়নে অবদানের জন্য পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনকে এ সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। সমাজসেবা ও জনসেবায় অবদানের জন্য ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী মরণোত্তর, SOS Children's Villages International in Bangladesh, মো. সাইদুল হক, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং মাহেরীন চৌধুরী মরণোত্তর সম্মাননা পাচ্ছেন।
জনপ্রশাসনে অবদানের জন্য কাজী ফজলুর রহমান মরণোত্তর নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া গবেষণা ও প্রশিক্ষণে অবদানের জন্য মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে অবদানের জন্য আবদুল মুকিত মজুমদার স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন।
স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর মহান স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ এই পদক প্রদান করা হয়। জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়ে থাকে।

কী-ওয়ার্ড:স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬,খালেদা জিয়া,রাষ্ট্রীয় সম্মাননা