পুঁইশাকের মতো লতিয়ে চলে শরীর
বুক বেয়ে নামে শুষ্ক মেটুলী,
শূন্য হাঁড়িতে নিবিষ্ট চাতকের দৃষ্টি
সময় বয়ে যায় নিজস্ব ছন্দে,
মদ্যপ স্বামী মাঝরাতে ঘরে ফিরে আসে
অন্ধকারের মত ঘিরে ধরে খিদে
হাত নামে
হাত উঠে
কঙ্কালসার শ্যামলা শরীর বিমুখ রতি সুখে!
পুরুষটি খামচে ধরে দু দুটো মেটুলি
আঙুলের ফাঁকে লেগে যায় রুধির ধারা,
গিলে ফেলতে চায় পুরোটা
নাভি
নিতম্ব
রমণী তবুও লাউডগার মতো শান্ত,
রাত বাড়ে
কাম বাড়ে
বাড়ে যন্ত্রনা
বাড়ে শীৎকারের শব্দ!
ঘুম ভাঙা শিশুর তৃষ্ণার্ত ঠোঁট ফাঁকা হয়
হঠাৎই শান্ত বুকে বাজে রণডঙ্কা
জেগে ওঠে চতুর্ভূজা
উলঙ্গ স্তন মুখে দিয়ে বলে 'নে বাছা খেয়ে নে',
মুহূর্তে কামুক লুটিয়ে পরে ভূমিতে
সুষুম্নীয় বার্তায় মাতৃত্ব এগিয়ে চলে আলোকবর্ষের থেকেও বেগে
দ্রুত আরও দ্রুত--।