একুশের চেতনায় গণতন্ত্র সুসংহত করার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

  • সকালের আলো প্রতিবেদক
  • ২০২৬-০২-২০ ২১:২৫:২৯
image

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাই ছিল একুশের মূল চেতনা। দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের পথ পেরিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের সকল ভাষাভাষী মানুষ ও জাতিগোষ্ঠীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের, যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার লড়াইয়ে শহীদ হন আবুল বরকত, আবদুস সালাম, রফিকউদ্দিন আহমদ, আব্দুল জব্বারসহ অনেকে। তাঁদের আত্মদানের মধ্য দিয়ে তৎকালীন পূর্ব বাংলার মুক্তির প্রথম সোপান রচিত হয়। ভাষা আন্দোলন শুধু ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠাই করেনি, বরং বাঙালির স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও সাংস্কৃতিক চেতনার ভিত আরও মজবুত করেছে। একুশের রক্তাক্ত পথ ধরেই মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলা ভাষা আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহন। মাতৃভাষার জন্য বাঙালির ত্যাগ ও ভালোবাসার স্বীকৃতিস্বরূপ ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। একুশের চেতনা আজ বিশ্বজুড়ে ভাষার মর্যাদা রক্ষার আন্দোলনে অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে।
তিনি বলেন, ভাষা শহীদ, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং সাম্প্রতিক গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সকল শহীদের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও মানবিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
দেশে বিদ্যমান ভাষাবৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং সর্বস্তরে বাংলা ভাষার সঠিক ব্যবহার ও চর্চা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।

কী-ওয়ার্ডস: একুশের চেতনা, ভাষা আন্দোলন, গণতন্ত্র