অন্ধকার কতোটা গাঢ় হলে পথিক তার পথ খুঁজে পায়
জীবন কোথায় থমকে গেলে নতুন করে জেগে উঠার
স্বপ্ন ছোঁয়া গল্প লেখা যায়!
সে তো কেবল পরম সৃষ্টিকর্তাই ভালো জানেন।
আমিতো কেবল মৃত্যুকে পায়ে জড়িয়ে এক দূর্বোধ্য
আলোর পথ ধরে হাঁটছি...
যেখানে আলো আঁধারি পাশাপাশি হাত ধরাধরি করে
হেঁটে যায় বন্ধুর পথে।
আজকাল রাত যতো গভীর হতে থাকে নির্ঘুম রাত জুড়ে
মায়াবতী মায়ের মুখখানা ততোবেশি মনে পড়ে;
তার অজস্র স্মৃতি চিহ্নের মাঝে।
মাথায় উপর হাত বুলিয়ে দেয়া বটবৃক্ষ বাবার স্নেহ আর
ভালোবেসে কাছে টেনে নেয়া ভাইয়ের সহজ-সরল বিদগ্ধ মুখ কাছে না থেকেও ভীষণ ভাবে বেঁধে রাখে
আষ্টেপৃষ্ঠে।
চারপাশে প্রতিদিন কতো রকমের কতো বদনের মানুষ দেখি
কতো কথার রঙমশাল জ্বলে উঠে রাতের আঁধারে,
তবুও নিজেকে ভীষণ নিঃসঙ্গ মনে হয়
চোখের কার্নিশ ক্ষণেক্ষণে ভিজে যায় মনের অজান্তে!
মাথার উপর খোলা বিশাল বড়ো আকাশ, সুউচ্চ পর্বতমালা,
ছলাৎছলাৎ ঢেউ খেলানো জলরাশি, সমুদের গভীরতা,
বিস্তৃণ মাঠজোড়া সবুজ শস্যক্ষেত ও পাখিদের
কিচিরমিচির শব্দ
সবকিছুরই একটা ব্যাপক ভাবার্থ আছে।
কিন্তু, ঝিলের জলে ভেসে থাকা ছোট্ট ফুলের কলিকে
যখন মাপা হয় দাঁড়িপাল্লার ওজনে
তখন কেনো জানি বুকের শিরা উপশিরায়
অদ্ভুত এক ক্লান্তি এসে ভর করে!
আমার ছন্দবিহীন বেহিসেবী আবেগি উদাসী জীবন
আর ঠোঁটের কোণে এঁকে রাখা স্মিত হাসি এখনো
ঠাওর করতে পারে না,
কোনটা সঠিক আর কোনটা ভুল!
শুধু এক নীরব নিঃশব্দ পদচারণাকে সঙ্গী করে আমি
এবং আমরা আদিগন্ত হেঁটে চলেছি...
এর কোথায় শুরু আর কোথায় শেষ জানি না।