চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায় শিশু,বৃদ্ধ ওমোটরসাইকেল আরোহি দু’যুবক সহ নিহত ৪

  • জাকির হোসেন পিংকু,
  • ২০২৫-১২-০৯ ২১:০৪:০৮
image

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর,ভোলাহাট ও শিবগঞ্জ উপজেলায় ৩টি পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায় এক শিশু,এক বৃদ্ধ, মোটরসাইকেল আরোহি দুই যুবক সহ চারজন নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে ভোলাহাটের বাসিন্দা তিনজন রয়েছেন। নিহতরা হলেন, ভোলাহাটের ছোট জামবাড়িয়া গ্রামের  মৃত শাহজাহানের ছেলে মো. আশিক(২৬), বাজারপাড়া বড়গাছি গ্রামের মৃত আপেল মাহমুদের মো.আবদুল্লাহ(৩০) ও দলদলি ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের আসাদুল হকের ছেলে জাহিদ হাসান(৮) এবং শিবগঞ্জের নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের নারায়নপুর গ্রামের মৃত রেফাত উল্লার ছেলে বাসেদ আলী(৯৩)। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার(৯ডিসেম্বর) দুপুর ও সকালে ঘটনাগুলো ঘটে।
গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) আব্দুল বারিক বলেন,মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে গোমস্তাপুরের রহনপুর পৌর তেতুল মোড় এলাকায় রহনপুর থেকে আড্ডাগামী সড়কে ট্রাকের  ধাক্কায় ঘটনাস্থলে আহত হন একই মোটরসাইকেলের দুই আরোহি আশিক ও আবদুল্লাহ। তাঁদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেস্কে নিয়ে  যাবার কিছুক্ষনের মধ্যেই একজন ও ঘন্টাখানেক পরে অপর যুবকের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর ট্রাকটি পালিয়ে যায়। ওসি আরও বলেন, দুই যুবক পরস্পর আত্মীয় এবং তাঁরা রহনপুর থেকে ভোলাহাটে বাড়ি ফেরার সময় দূর্ঘটনার শিকার হয়ে মারা যান।
ভোলাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) একরামুল হক বলেন,মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে পোলাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর ছাত্র জাহিদ পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফিরছিল। এসময় সড়ক পারপারের সময়  একটি ট্রলি তাকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলে সে আহত হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক দুপুর দেড়টায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর ট্রলি ফেলে চালক পালিয়ে যান।
অপর দিকে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) হুমায়ন কবীর বলেন, মঙ্গলবার সকাল  ১১টার দিকে ছত্রাজিৎপুর বাজার এলাকায় সোনামসজিদ মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন বৃদ্ধ বাসেদ। এ সময় একটি ধান বোঝাই নসিমন গাড়ী তাঁকে ধাক্কা দিলে সড়কে পড়ে গিয়ে নসিমনের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান বাসেদ। ঘটনার পর পুলিশ নসিমন আটক করলেও চালক পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, সকল ঘটনায় পুলিশ মরদেহ উদ্ধারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আবেদনের প্রেক্ষিতে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করেছে। এসব ঘটনায়  পৃথক মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীণ বলেও জানিয়েছে পুলিশ।