রাত শেষের কিছু আগে
যখন ঘরকুনো বাতাসে দুর আকাশের
মৃদু শীতের মগ্ন বিষন্নতা -
আসন্ন মাঘের অস্পষ্ট কুয়াশার মুক্তোবোনা
ফোটার মত,
থেমে থেমে ঝরে সময়ের ধ্বণিত প্রতিধ্বণি-
দুর অসময়ে মিশে থাকা স্মৃতির পরাগ
হাল্কা শীতের মত শরীরে জড়ায়।
শেষ হওয়া আঁধার সীমার মত রাত ছুঁয়ে থাকা
শীতময় নিবিড় প্রার্থনারা কখনো পশমী
উষ্ণতার মত নিশ্বাসে মিশে থাকে
নিথর দীর্ঘস্বাসে,
কেউ না জানুক,রাত শেষের
একাত্ম কুয়াশা জানে।
মুঠো ভরা হিম হিম অনুভবের ঘরে-
জানালার ধূপছায়া ভোরের আবেশে
অবোধ শিশুবেলাকার
আকাশ ছোঁয়া শষ্যক্ষেতে কুয়াশা আর সবুজের
মাখামাখি দেখে
পৌষী অরুনাভ, অপলকে।
শীত আসে,গত হওয়া বছরের দীঘল নিশ্বাসে
দীর্ঘশ্বাসের শিশির জমে।
আল ভরা আলুক্ষেতে অলস রোদেরা
চিরচেনা অবনত,
শীত গহীনের কেঁপে ওঠা হৃদয় জানে
কখন ভেজা পাতার সবুজ হতে
কুয়াশা শুষে নেয়া সূর্যটা রোদ ঝিমানো
দুপুর হবে,
কখন গৃহমুখী অবসরের অবকাশ ঢেলে দেবে
জীবনকামী পৌষ আর মাঘের --
শিশির স্নেহা অতল অন্তরাত্মায়,
স্বাগত শীতের কাঙ্খিত সোনারোদে।