কাশ্মীরে থানায় জব্দ বিস্ফোরকের ভয়াবহ বিস্ফোরণ: ৯ জন নিহত, আহত ২৯

  • আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • ২০২৫-১১-১৫ ০৯:৫৩:২৪
image

ভারতের কাশ্মীরের শ্রীনগরের নওগাম থানায় জব্দ করে রাখা বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক দ্রব্যে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটেছে শুক্রবার গভীর রাতে। এতে এখন পর্যন্ত ৯ জন নিহত ও অন্তত ২৯ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগই পুলিশ সদস্য, বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলের বিশেষজ্ঞ ও ফরেনসিক বিভাগের কর্মকর্তা।
বিস্ফোরণের পর ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও মানুষ আটকে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, ফলে প্রাণহানির সংখ্যা বাড়তে পারে। বিস্ফোরণ পরীক্ষা ও নিরাপত্তা মূল্যায়নের কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা থানায় অবস্থান করছিলেন। নিহতদের মধ্যে শ্রীনগর প্রশাসনের দুই উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও একজন নায়েব তহশিলদারের পরিচয় মিলেছে।
ঘটনার পরপরই ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা নওগামে পৌঁছে পুরো এলাকা ঘিরে ফেলেন এবং বিস্ফোরণের উৎস ও ক্ষতির পরিমাণ যাচাই শুরু করেন। থানায় জব্দ বিস্ফোরক মজুদের বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে, বিশেষ করে এসব দ্রব্য কীভাবে, কোথায় এবং কোন নিরাপত্তা প্রোটোকলে সংরক্ষণ করা হয়েছিল।
এর আগে নওগাম থানা জইস–ই–মোহাম্মদের পোস্টার লাগানো সংক্রান্ত তদন্তের ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার করেছিল। সেই সূত্র ধরেই কয়েকজন চিকিৎসকসহ একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গত অক্টোবর গ্রেপ্তার হওয়া চিকিৎসক আদিল আহমেদ রাথের জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে আরেক চিকিৎসক মুজাম্মিল শাকিলের নাম। পরে ফারিদাবাদের আল–ফালাহ মেডিকেল কলেজ–সংলগ্ন তার বাসায় অভিযানে প্রায় ৩ হাজার কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর শাকিল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ডা. শাহীন সাঈদকেও আটক করে পুলিশ।
নওগাম থানার বিস্ফোরণটি সন্ত্রাসবাদবিরোধী তদন্তে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। বিস্ফোরণের কারণ অনুসন্ধানে বিশেষ প্রযুক্তিগত দল কাজ করছে।

কীওয়ার্ডঃ কাশ্মীর বিস্ফোরণ,নওগাম থানা,জইস–ই–মোহাম্মদ