উদ্ভাবনভিত্তিক প্রবৃদ্ধির তত্ত্বে নোবেল পেলেন তিন অর্থনীতিবিদ

  • আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • ২০২৫-১০-১৩ ২২:৪৬:১৪
image

২০২৫ সালের অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন তিন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ-জোয়েল মকিয়র, ফিলিপ আজিওন এবং পিটার হাওয়িট। উদ্ভাবননির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও ‘ক্রিয়েটিভ ডেস্ট্রাকশন’ তত্ত্বে তাঁদের যুগান্তকারী গবেষণার জন্য এ বছর তাঁদেরকে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করেছে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস।
সোমবার ঘোষণায় জানানো হয়, এই তিন গবেষক অর্থনৈতিক ইতিহাস ও আধুনিক প্রবৃদ্ধি তত্ত্বে এমন এক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছেন, যা ব্যাখ্যা করে কেন কিছু সমাজ উদ্ভাবনের মাধ্যমে উন্নতি করে আর কিছু সমাজ স্থবির থেকে যায়। তাঁদের কাজ দেখিয়েছে, টেকসই প্রবৃদ্ধির মূল চালিকা শক্তি হলো উদ্ভাবনকে সুরক্ষা ও উৎসাহ প্রদান।
পুরস্কারের আনুষ্ঠানিক নাম ‘দ্য স্ভেরিজেস রিক্সব্যাংক প্রাইজ ইন ইকোনমিক সায়েন্সেস ইন মেমরি অব আলফ্রেড নোবেল’। এ বছর পুরস্কারের অর্থমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা, যা প্রায় ১২ লাখ মার্কিন ডলার সমমূল্যের।
জোয়েল মকিয়র, যুক্তরাষ্ট্রের নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক, ঐতিহাসিকভাবে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের প্রভাব বিশ্লেষণে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। তিনি পুরস্কারের অর্ধেক পেয়েছেন। বাকি অর্ধেক ভাগাভাগি করেছেন ফিলিপ আজিওন ও পিটার হাওয়িট। আজিওন বর্তমানে প্যারিসের কোলেজ দ্য ফ্রঁস, ইনসিয়াড এবং লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস অ্যান্ড পলিটিকাল সায়েন্সে অধ্যাপনা করছেন। অন্যদিকে, হাওয়িট যুক্তরাষ্ট্রের ব্রাউন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক।
নোবেল কমিটির সদস্য জন হ্যাসলার বলেন, “মকিয়রের গবেষণা আমাদের বুঝিয়েছে, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন অর্থনৈতিক উন্নতির ইতিহাসে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।” তিনি আরও যোগ করেন, “আজিওন ও হাওয়িটের তৈরি ক্রিয়েটিভ ডেস্ট্রাকশন মডেল দেখিয়েছে কীভাবে নতুন পণ্য পুরনোকে প্রতিস্থাপন করে প্রবৃদ্ধির ধারাকে অব্যাহত রাখে।”

কীওয়ার্ডস:
নোবেল পুরস্কার, অর্থনীতি, উদ্ভাবন