ভোট মাথায় রেখে ফুলতলা ও ডুমুরিয়ায় বড় আকারে ছাত্র ও যুব সমাবেশের প্রস্তুতি সম্পন্ন জামায়াতের

  • শেখ বদর উদ্দিন
  • ২০২৫-০৯-২৪ ২১:০৭:৪৮
image

ফুলবাড়ীগেট  প্রতিনিধি   ঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন মাথায় রেখে ঢাকায় বড় ধরনের সমাবেশ করে জানান দেওয়ার পর এবার দলটির সেক্রেটারী জেনারেল এর নিজ আসন খুলনা ৫ ফুলতলা ও – ডুমুরিয়াতে ছাত্র ও যুব সমাবেশের  সব প্রস্তুতি গুছিয়ে এনেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী , ফুলতলা ও ডুমুরিয়া উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের লক্ষ্যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বা সমান সুযোগ নিশ্চিত করাসহ সাত দফা দাবিতে ধারাবাহিকভাবে কর্মসূচি পালন করছে দলটি। আগামিকাল শুক্রবার সকাল ৯ টায় ডুমুরিয়া স্বাধীনতা চত্বরে এবং বিকাল ৩ টায় ফুলতলা স্বাধীনতা চত্বরে ছাত্র ও যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক  মিয়া গোলাম পরওয়ার। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। স¤œানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিনের সেক্রেটারী ডক্টর শফিকুল ইসলাম মাসুদ। স¤œানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ও সাধারন সম্পাদক নূরুল ইসলাম সাদ্দাম। ডুমুরিয়ার সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন ডুমুরিয়া উপজেলা আমির মাওলানা মোক্তার হুসাইন ও ফুলতলার সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন ফুলতলা উপজেলা আমির অধ্যাপক আব্দুল আলিম মোল্ল্যা।সমাবেশ উপলক্ষ্যে নিজেদের প্রস্তুতির বিষয়ে ফুলতলা উপজেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল আলীম মোল্যা বলেন, ফুলতলাতে আগামী শুক্রবারের যুব ও ছাত্র সমাবেশ হবে একটা ঐতিহাসিক সমাবেশ। এ সমাবেশে ফুলতলা উপজেলার বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন থেকে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার যুবক ও ছাত্র উপস্থিত হবে বলে আমরা আশা করছি।
ডুমুরিয়া উপজেলা আমির মাওলানা মোক্তার হুসাইন বলেন সমাবেশ সফল করতে আমরা ইতিমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করেছি, শুক্রবারের সমাবেশে ডুমুরিয়া উপজেলার  প্রায় ৫০ থেকে ৬০  হাজার যুবক ও ছাত্র উপস্থিত হবে। খুলনা জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস বলেন বিভিন্ন দাবিতে কর্মসুচি পালন করা হচ্ছে, অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে সমান সুযোগ নিশ্চিত করা ছাড়া জামায়াতের দাবির মধ্যে রয়েছে- সব গণহত্যার বিচার, প্রয়োজনীয় মৌলিক সংস্কার, জুলাই সনদ ও ঘোষণাপত্র বাস্তবায়ন, অভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের পরিবারের পুনর্বাসন, আনুপাতিক (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচন ও প্রবাসীদের ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা। তিনি আরো বলেন  “শহীদের রক্তস্নাত বাংলায় ইসলামের পতাকা উত্তোলন এবং ইসলামী ঐক্যের কাক্সিক্ষত পরিবেশ সবার চাওয়া-পাওয়া।