জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে অনুষ্ঠিত হলো টেলিভিশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ট্র্যাব) বিশেষ অনুষ্ঠান। এবার আয়োজনের মূল বিষয় ছিল—বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বর্তমান সংকট, এর পেছনের কারণ ও সম্ভাব্য উত্তরণের পথ। পাশাপাশি শিল্প-সাহিত্য, সংগীত, নাটক ও সমাজসেবায় অবদান রাখা ব্যক্তিদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ট্র্যাব সভাপতি কাদের মনসুর। প্রধান অতিথি ছিলেন বিএফইউজে মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ট্র্যাব সাধারণ সম্পাদক সুহৃদ জাহাঙ্গীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এটিএন বাংলার উপদেষ্টা তাশিক আহমেদ, বিএফইউজে সাংগঠনিক সম্পাদক এরফানুল হক নাহিদ এবং বাচসাস সভাপতি কামরুল হাসান দর্পণ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন তানিয়া আফরিন।
আলোচনা সভায় বক্তারা দেশীয় সংস্কৃতি টিকিয়ে রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তারা বলেন, প্রযুক্তি ও বিশ্বায়নের যুগে তরুণ প্রজন্মকে বই পড়া, নাটক-সিনেমা দেখা ও সংগীতচর্চায় উৎসাহিত করতে হবে। এ জন্য সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।
অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল 'ট্র্যাব এক্সিলেন্ট অ্যাওয়ার্ড–২০২৫'। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ২৬ জনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ছটকু আহমেদ পান আজীবন সম্মাননা, অভিনেতা মোশাররফ করিম ও অভিনেত্রী তানহা তাসনিয়া ইসলাম পান শ্রেষ্ঠ অভিনেতা-অভিনেত্রীর স্বীকৃতি। শ্রেষ্ঠ পরিচালক হন কায়সার আহমেদ, শ্রেষ্ঠ নাট্যকার আজম খান, শ্রেষ্ঠ নির্মাতা (ডকুমেন্টারি) মুক্তি মাহমুদ। এছাড়া সঙ্গীতে অবদান রাখায় সুমন, কামরুন নাহার শিপুসহ আরও অনেকে পুরস্কৃত হন।
সাংস্কৃতিক পর্বে সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি দর্শকদের মুগ্ধ করে। আয়োজকরা জানান, নিয়মিত এমন অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে তারা নতুন প্রজন্মকে সাংস্কৃতিক চর্চায় অনুপ্রাণিত করতে চান।
কীওয়ার্ডস:ট্র্যাব অ্যাওয়ার্ড ২০২৫,বাংলাদেশ সংস্কৃতি সংকট,গুণীদের সম্মাননা,জাতীয় প্রেস ক্লাব অনুষ্ঠান