নির্বাচন কমিশনকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করার লক্ষ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশের খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মো. শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, 'নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন-১৯৯১' এবং 'নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আইন-২০০৯' সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে। সংশোধনী অনুযায়ী, নির্বাচনের দায়িত্বে অবহেলা, আইন অমান্য বা অসদাচরণের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড এবং চাকরি থেকে অপসারণসহ কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হবেন।
এছাড়া নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের কাঠামোয় পরিবর্তন এনে ‘নির্বাচন কমিশন সার্ভিস’ গঠনের প্রস্তাবও অনুমোদিত হয়েছে।
একই বৈঠকে রাজস্ব খাতে সংস্কারমূলক আইন সংশোধনের প্রস্তাবও পাস হয়। এর আওতায় বিশেষ ক্ষেত্রে ভ্যাট অব্যাহতি, সরকারি সিকিউরিটিতে বিনিয়োগে উৎসে কর ১৫ শতাংশ করা এবং পরিবহন খাতে কর সংগ্রহকে চূড়ান্ত করযোগ্য আয় হিসেবে বিবেচনার বিধান যুক্ত হয়েছে।
প্রেস সচিব জানান, মোট ৭৭টি অতি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের মধ্যে ২৪টি ইতোমধ্যেই বাস্তবায়িত হয়েছে, আরও ১৪টি আংশিক বাস্তবায়িত এবং বাকি ৩৯টি দ্রুত বাস্তবায়নের পথে রয়েছে।
এছাড়া আসন্ন জাতিসংঘ অধিবেশনে প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হিসেবে চার রাজনৈতিক নেতা যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।
কীওয়ার্ডস:নির্বাচন কমিশন,অধ্যাদেশ অনুমোদন,সংস্কার আইন,কঠোর শাস্তি,প্রধান উপদেষ্টা