চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
বিএনপি নির্বাহী কমিটি সদস্য,সাবেক এমপি,চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক,ছাত্রদলের সাবেক নেত্রী এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক এমপি হারুনুর রশীদের স্ত্রী সৈয়দা আসিফা আশরাফি পাপিয়া বলেছেন ১/১১ মডেলে,২০০৮ সালের নির্বাচনের মডেলে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাকসু,জাকসু সহ অনান্য বিশ^বিদ্যালয়গুলোর ছাত্র সংসদ নির্বাচনের নীল নকশাও সেভাবেই করা হয়েছে। যে যাই বলুক না কেন ডাকসুর নির্বাচন সুপরিকল্পিত। সারা বাংলাদেশের মানুষ ডাকসুর এই নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে। মনমত ভিসি,প্রো-ভিসি, প্রক্টর,প্রভোষ্ট, হাউস টিউটর সিন্ডিকেটের যাকে খুশী তাকে বিজয়ী করার এ নির্বাচন মেনে নেয়া যায় না।
পাপিয়া আরও বলেন, দেশের মানুষ ১৫ বছর ভোটাধিকার বঞ্চিত ছিল। ভোটের জন্য তাঁর জীবন দিয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার এদের মূল্যায়ন করে নি। এদের রক্তের মর্যাদা রাখে নি। বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ ভোটের অধিকার চায়। জাতীয় নির্বাচনকে বিলম্বিত করতে একবার বলা হচ্ছে গণপরিষদ নির্বাচন। আবার কখনও তড়িঘড়ি করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২(নাচোল,গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট উপজেলা নিয়ে গঠিত) আসনে আসন্ন সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী এই নেত্রী শনিবার(১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টা থেকে গোমস্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ শুরু করে দুপুর দেড়টার দিকে পাবর্তীপুর ইউনিয়নের আড্ডা মোড়ে এক পথসভায় এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ১৫ বছর আওয়ামী লীগের মধ্যেই জামায়াত ঢুকে ছিল। ছাত্রলীগের ভেতর শিবির আশ্রয় নিয়েছিল। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্রলীগ ও শিবির ছাড়া অন্য কোন ছাত্র সংগঠন ঢুকতে পারে নি। তারা ছিল বিতাড়িত। ১৯৯৬ সালেও আওয়ামী লীগের সাথে জামায়াত একবার মিলে গিয়েছিল। পাপিয়া বলেন, দেশের মানুষ দূর্নীতি মুক্ত সমাজ চায়। নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়।যে যা যার পছন্দমত ভোট দিতে চায়। অথচ সরকার এসব উপলগ্ধি করে না। বিএনপির সাথে বসলে সরকার বলে নির্বাচন দিব। কিন্তু এনসিপি জামায়াতকে নির্বাচন বানচাল শিখিয়ে দেয়। কয়েকজন বিদেশী নাগরিকের এই সরকার আরাম আয়েশ বুঝে। জনগণের দূর্ভোগ বোঝে না। অবিলম্বে সুষ্ঠু নির্বাচন দাবি করেন পাপিয়া। তিনি বিএনপির ৩১ দফার উপর জোর দেন। গনসংযোগে বিএনপি নেতা একরামুল হকসহ নেতৃবৃৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।