তাঁর মুখ একটি সরল সমতল জনপদ,
মন তাঁর নদীর সুরেলা স্রোতে রাখলের বাঁশী,
তিনি ধান ক্ষেতের গন্ধ-ভরা কৃষকের শরীর –
এ রকম সাধারণ একজন
আলাদা হয়ে গেল আমাদের থেকে,
তিনি বহিরাগতদের আগুনে
আমাদের পোড়া জীবনের ছবি আঁকতেন,
আগুনের ভিতরে দাঁড়িয়ে তিনি আগুন দেখেছেন –
যে নিখাদ সে বেঁচে থাকে।
তর্জনী উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে উঁচু পর্বত,
তাঁকে দূর থেকে দেখা যায়;
আমাদের সমতলে দাঁড়িয়ে
তিনি দেখতে পেয়েছিলেন সমগ্র স্বদেশ।
পিতার মমতায় তিনি আমাদের বোঝাতে চাইতেন –
পোড়া গন্ধে তোমরা অভ্যস্ত হয়ে যেও না
আজ পুড়ছে ঘাস, কাল পুড়বে বারোমাস!
একদিন ময়দানে ডেকে
তিনি আমাদের ভিতরে জমে থাকা আগুনের ব্যবহার শেখালেন ----
তারপর
আমরা আর ভয় পাই না,
সাহসের তর্জনী নদীর স্রোতে ভাসিয়ে দেয় বর্গীদের সকল প্রতীক!
তাঁকে দূর থেকে দেখা যায়।