নির্বাচন, সংস্কার ও বিচার-নতুন অধ্যায়ে ড. ইউনূসের সরকার

  • নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • ২০২৫-০৮-০৭ ১৯:০৭:১২
image

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, ৫ আগস্টের মধ্য দিয়ে তার সরকার প্রথম অধ্যায় সম্পন্ন করেছে এবং এখন একটি নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। এই দ্বিতীয় অধ্যায়ের মূল লক্ষ্য হচ্ছে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন, পাশাপাশি দেশব্যাপী কাঙ্ক্ষিত সংস্কার ও বিচারপ্রক্রিয়া বাস্তবায়ন।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা দ্বিতীয় অধ্যায়ের তিনটি মূল লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন-প্রথমত সুষ্ঠু নির্বাচন, দ্বিতীয়ত কাঠামোগত সংস্কার, এবং তৃতীয়ত বিচার ব্যবস্থার উন্নয়ন। তিনি পরিষদ সদস্যদের এ তিনটি অগ্রাধিকারকে সমান গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।”
প্রেস সচিব জানান, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শক্তিশালী করতে বাহিনীর সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বর্তমানে দেশের নিরাপত্তা বাহিনীতে প্রায় ৮ লাখ সদস্য রয়েছেন। এই সংখ্যা আরও ৫০ হাজার বাড়ানো হবে। সেনাবাহিনীর ক্ষেত্রেও বাড়ানো হচ্ছে সদস্যসংখ্যা, যা এখন ৬০ হাজার থেকে আরও বিস্তৃত করা হবে।
তিনি বলেন, “বর্তমানে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আগের তুলনায় স্থিতিশীল। সেনাবাহিনী এখনও মাঠে রয়েছে এবং নির্বাচনকালীন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে তারা প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করছে। মাঠ প্রশাসনকেও নির্বাচন সফল করার জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুত করা হচ্ছে।”
সভায় প্রধান উপদেষ্টা উপদেষ্টাদের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা যার যার অবস্থান থেকে নিশ্চিত করুন যেন নির্বাচন স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য হয়।” তিনি সবার উদ্দেশ্যে আরও বলেন, “আমরা একটি ভবিষ্যতগামী ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের পথে আছি। এজন্য আপনাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ।”
সূত্র জানায়, এ বৈঠকে আগামী দিনের সংস্কার এজেন্ডা ও বিচারসংক্রান্ত দীর্ঘমেয়াদি কাঠামো নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সরকার চায়, দ্বিতীয় অধ্যায় শেষ হওয়ার আগেই দেশের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো একটি টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড়াক।

কীওয়ার্ডস:সুষ্ঠু নির্বাচন,ড. ইউনূস সরকার,উপদেষ্টা পরিষদ,আইনশৃঙ্খলা বৃদ্ধি,নির্বাচন প্রস্তুতি