০৫ আগস্ট, ২০২৫ঃ
খুলনা প্রকৌশল প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) ০৫ (পাঁচ) আগস্ট “জুলাই
গণঅভ্যুত্থান দিবস” যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে। ০৫ আগস্ট মঙ্গলবার
সূর্যোদয়ের সাথে সাথে প্রশাসনিক ভবন, ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয়ের বাসভবন ও
আবাসিক হলসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ৯ঃ৩০ ঘটিকায়
বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের সন্তানদের অংশগ্রহণে
বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল
১০ঃ৩০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখে সিনিয়র
শিক্ষকবৃন্দদের নিয়ে জাতীয় সংগীতের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন
বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ মাকসুদ হেলালী।
এরপর বিশ^বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখ হতে ভাইস-চ্যান্সেলরের
নেতৃত্বে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের অংশগ্রহণে “জুলাই
গণঅভ্যুত্থান দিবস” উপলক্ষ্যে র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি
বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে অডিটরিয়ামের সামনে
এসে শেষ হয়। সকাল ১১ঃ১৫ ঘটিকায় অডিটরিয়ামে শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায়
বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি
ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ মাকসুদ হেলালী। সকাল ১১ঃ৩০ ঘটিকায়
অডিটরিয়ামে প্রদর্শিত হয় “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস”এর উপর নির্মিত
প্রামাণ্যচিত্র। এরপর অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির আলোচনায়
ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ মাকসুদ হেলালী বলেন, বৈষম্যহীন
বাংলাদেশের প্রত্যাশায় হাজার হাজার ছাত্রজনতার ত্যাগে স্বৈরাচার বিদায়
হয়েছে। আজ সেই মহান ০৫ আগস্ট “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস”। হাজার প্রাণের
তাজা রক্ত ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র কাঠামো থেকে স্বৈরশাসনের
মুক্তির দিন। প্রধান অতিথির আলোচনায় তিনি স্বচক্ষে দেখা গতবছর ০৫, আগস্ট
২০২৪ সালের এই দিনের স্বৈরশাসক পালানোর পর ছাত্রজনতার বিজয় উল্লাস ও
গণভবনের তৎকালীন অবস্থার কথা তাঁর আলোচনায় তুলে ধরেন।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন
প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ হারুনুর রশীদ, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক
ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোঃ রফিকুল ইসলাম, মেকানিক্যাল
ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সুলতান মাহমুদ,
রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মোঃ আনিছুর রহমান ভূঞা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন
পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল্লাহ ইলিয়াছ আক্তার।
অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড.
মোঃ সাহিদুল ইসলাম, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয়
প্রধান প্রফেসর ড. এম. এম. এ. হাসেম, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের
প্রফেসর ড. মোঃ হেলাল-আন-নাহিয়ান। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে
ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৯ ব্যাচের
শাহরিয়ার কবীর রাহাত, লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৯ ব্যাচের সুমাইয়া
তাসনিম, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ মঈনুল হক, কর্মকর্তা সমিতির
(আপগ্রেডেশন) সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব, প্রশাসনিক কর্মকর্তা
(অতিরিক্ত দায়িত্ব) জালাল মুনসী, কর্মচারী সমিতির সাবেক সভাপতি মোঃ
ইমদাদুল হক। এছাড়া, বাদ আসর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জুলাই
গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের রুহের মাগফেরাত এবং আহতদের সুস্থতা কামনায় দোয়া
মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।