গাজায় চলমান মানবিক সংকট নিরসনে ইসরাইলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে জার্মান সরকার। তারা বলেছে, জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলোর সহায়তায় গাজায় ব্যাপক মানবিক সরবরাহ নিশ্চিত করা ইসরাইলের বাধ্যবাধকতা। শনিবার (২ আগস্ট) এক লিখিত বিবৃতিতে এ তথ্য জানান জার্মান সরকারের মুখপাত্র স্টেফান কর্নেলিয়াস।
কর্নেলিয়াস জানান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ওয়াদেফুল তার সাম্প্রতিক ইসরাইল ও অধিকৃত পশ্চিম তীর সফরের পর ফেডারেল নিরাপত্তা মন্ত্রিসভাকে ফোনে পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেছেন।
তিনি স্বীকার করেন যে, গাজায় মানবিক সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে ‘কিছু প্রাথমিক ও সীমিত অগ্রগতি’ হয়েছে। তবে তিনি এটিকে বর্তমান জরুরি অবস্থা মোকাবিলার জন্য ‘স্পষ্টতই অপর্যাপ্ত’ বলে উল্লেখ করেন।
জার্মান সরকার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যে, গাজায় সাহায্য সামগ্রী পৌঁছানোর পর হামাস ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠী বিপুল পরিমাণ ত্রাণ জব্দ করছে।
কর্নেলিয়াস বলেন, “জাতিসংঘ ও মানবিক সংস্থাগুলোর সহায়তায় গাজায় ব্যাপক সহায়তা প্রদানের জন্য ইসরাইলের বাধ্যবাধকতা এখনও বহাল রয়েছে।”
সফরকালে ওয়াদেফুল ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার এবং ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি রামাল্লাহ সংলগ্ন আল-তাইবেহ শহর পরিদর্শন করেন এবং সেখানে কর্মরত মানবিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
প্রায় দুই বছর ধরে চলমান ইসরাইলি অভিযানে গাজায় ভয়াবহ মানবিক সংকট বিরাজ করছে। খাদ্য, পানি, ওষুধসহ জরুরি পণ্যের সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। আন্তর্জাতিক চাপ থাকা সত্ত্বেও সহায়তার প্রবাহ সীমিত থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।
কীওয়ার্ডস: গাজা মানবিক সংকট ২০২৫, জার্মানি ইসরাইল দায়িত্ব, জাতিসংঘ মানবিক সহায়তা, ফিলিস্তিন পরিস্থিতি আপডেট, জোহান ওয়াদেফুল গাজা সফর