অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলার বিরুদ্ধে সরব হওয়ার পর মিশরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় ও গ্র্যান্ড ইমাম আহমদ আল-তাইয়েবকে ঘিরে তীব্র সমালোচনা শুরু করেছে ইসরাইলি গণমাধ্যম। হিব্রু ভাষার দৈনিক মারিভ এক প্রতিবেদনে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘সাপের মাথা’ আখ্যা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে নির্মূল করার আহ্বান জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আল-আজহার ইসরাইলবিরোধী মতাদর্শ ছড়ানোর মূল কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠেছে। একই প্রতিবেদনে ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক কর্মকর্তা ও মিশরবিষয়ক বিশ্লেষক এলি ডেকেলের সাক্ষাৎকারও প্রকাশ করা হয়।
এলি ডেকেল অভিযোগ করে বলেন, “আল-আজহার বর্তমানে মিশর থেকে ইসরাইলবিরোধী ঘৃণার মুখপাত্রে পরিণত হয়েছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “আমি ইসলাম বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নই, তবে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, এই প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে ইসরাইলবিরোধী প্রচারণা চালিয়ে আসছে।”
সাম্প্রতিক সময়ে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় গাজায় ইসরাইলের কর্মকাণ্ডকে ‘গণহত্যা’, ‘পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ’ এবং ‘না খাইয়ে মারার নীতি’ হিসেবে উল্লেখ করে কঠোর বিবৃতি দেয়। যদিও পরবর্তীতে রহস্যজনকভাবে সেই বিবৃতিটি তাদের অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
মধ্যপ্রাচ্যের পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, আল-আজহারকে ঘিরে ইসরাইলি গণমাধ্যমের এই কঠোর অবস্থান নতুন এক ধর্মীয় ও কূটনৈতিক উত্তেজনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।