ইছামতির বাঁধ ভাঙার উপক্রম হয়েছিলো সেই রাতে
বুঝি রাণী ভিক্টোরিয়াও ছিলেন নিতান্ত অসহায়
ফাঁটলধরা বাঁধ টপকে প্রবেশ করেছিলো নোনা জল,
মধ্যরাত্রির প্রবল নেশাতুর চাওয়া তৃষ্ণায় জর্জরিত
উন্মত্ত রক্তস্রোত অতিক্রম করে গেছে জংঙ্ঘাদেশ
তোমার শিরায় শিরায় তখন রাক্ষুসে অজয়ের দাপাদাপি,
পিচ্ছিল কর্দমাক্ত পথ বেয়ে জেগে উঠেছে বিষধর ফণী
মন্থনের এক প্রান্তে আমি আর অন্য প্রান্তে তুমি
ধ্বংসের মুহূর্ত আগত প্রায় দুজনার মধ্যভূমিতে!
ব্রহ্ম দেবের অসময়ে বীর্যপাতের মতোই তোমার স্খলন
সহসা অমৃত ভান্ডারের মতো আবিষ্কার করি নিজেকে
কামনা নয়, কামনা নয়, এসো সখা প্রেমিকের বেশে;
দুবাহু শিথিল হলো অপার্থিব পাওয়ার অভিলাষে
আনত কর্ণকুহর ও বুকে শুনতে চাইলো প্রেমধ্বনী
বুঝলাম, হারানোর আগে পবিত্র মন হতে পারে ঈশ্বরী।