যুদ্ধবিরতির আলোচনার মাঝেও দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী গাজার ওপর নতুন করে তীব্র হামলা চালিয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্যমতে, শনিবার মধ্যরাতে শুরু হয়ে সকাল পর্যন্ত মাত্র ৫ ঘণ্টায়, প্রায় ১৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে ।
এই হামলায় আহত হয়েছে নিরলসভাবে চলমান সহিংসতা-আজকেরই নয়, লম্বা সংঘর্ষের ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত ১৩৮ জন নিহত ও ৬২৫ জন আহত হয়েছে ।
স্থানীয় সূত্র এবং গাজার হেলথ মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, ২৭ মে থেকে তরিদ্র ও ক্ষুধার্ত ফিলিস্তিনীদের ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী । কিছু ক্ষেত্রে ত্রাণ বিতরণের সময়ই গুলি চালানো হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নজরদারিরও কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।
আল-মাওয়াসি অঞ্চলে কিনারা প্রচণ্ড আক্রমণে ৭ জন নিহত হয়েছেন।
উত্তরে জেইতুনে অবস্থিত আল-শাফি’ই স্কুলে বিমান হামলায় ৫ জন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।
মাঝগাজার আবু ব্রেইক পরিবারের বাড়িতেও বোমা আঘাতে ২ জন মারা গেছেন ও অনেকে আহত হয়েছেন
২১ মাসে মোট নিহত: ৫৭,২৬৮
এ পর্যন্ত আহত: ১,৩৫,১৭৩
এই সংখ্যাগুলো থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়-খুঁজে পাওয়া আরো কত প্রাণ ধ্বংসের ছায়াময়ার নিচে চাপা পড়ে থাকতে পারে ।
যদিও যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যীয় মধ্যস্থতাকারীদের তত্বাবধান বৃদ্ধির পরই যুদ্ধবিরতির আলোচনা শুরু হয়েছে-হামাস ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে এমন তথ্য পাওয়া গেলেও ,
এমন সময়ে চালানো এসব হামলা সরাসরি যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্থ করছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বাড়াচ্ছে।
যুদ্ধবিরতি আলোচনার মাঝেও ঘাতক হামলা থামছে না-মানবতার ব্যর্থতার সংকেত।
মাত্র ৫ ঘণ্টার অন্তত ১৮ জন নিহত-শান্তিমুখী পরিস্থিতি অর্জনে বড় বাঁধা।
স্কুল, ত্রাণ শিবির ও বসতি এলাকা পর্যন্ত হামলা-যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপে মিশে যাচ্ছে আগের জীবনের খোঁজ।
আন্তর্জাতিক চাপ ও মধ্যস্থতা প্রয়োজন-যুদ্ধবিরতি না হলে শান্তির আলো অন্ধকারেই ঢাকা থাকবে।
#GazaAttack #Ceasefire #PalestineCasualties #IsraelOffensive #GazaWar #HumanitarianCrisis #InternationalPeace