চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার ভারপ্রাপ্ত রাষ্টদূত আরিফ সোয়ুকু বলেছেন, বাংলাদেশ আগ্রহী হলে ইন্দোনেশিয়া বাংলাদেশ থেকে আম আমদানী করতে পারে। কারণ বাংলাদেশের আমের জাত ইন্দোনেশিয়ার আমের জাতগুলো থেকে ভিন্ন। বাংলাদেশে বিভিন্ন রকমের (ভ্যারাইটি) আম উৎপাদন হয়। ইন্দোনেশিয়া বাংলাদেশের সাথে সাথে শুধু আম নয় কৃষির বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে চায়। কিভাবে আম উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে দ’ুদেশ কাজ করতে পারে তা খতিয়ে দেখা হ্েচ্ছ । কৃষিক্ষেত্রে যৌথ উদ্যেগ হলে ইন্দোনেশিয়া বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারে। সে ক্ষেত্রে এ অঞ্চলের সম্ভাবনা বিবেচনা করা হবে।
মঙ্গলবার(১ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে চ্াঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার মহারাজপুর এলাকায় বেসরকারি উদ্যোগে স্থাপিত ফ্রুট প্রটেকটিং পেপারব্যাগ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘চাঁপাই এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড’ পরিদর্শনকালে ভারপ্রাপ্ত রাষ্টদূত এসব কথা বলেন। তিনি ফ্যাক্টরির বিভিন্ন অংশ, ব্যাগ প্রস্তুত প্রক্রিয়া, ফ্যাক্টরির লাগোয়ো একই প্রতিষ্ঠানের একটি কোল্ড ষ্টোরেজ ঘুরে দেখেন।
চাঁপাই এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান নারী উদ্যোক্তা জেসমিন আক্তার বলেন, ইন্দোনেশিয়া আম উৎপাদকারী এই অঞ্চলে আম উৎপাদন, আমের বহুবিধ ব্যবহার,প্রক্রিয়াজাতকরণ,প্রক্রিয়াজাতকরণে উৎপাদিত বাই প্রডাক্ট নিয়ে উৎসাহী। রপ্তানীখাতে আমের উজ্ঝল সম্ভাবনা রয়েছে বলে তারা মনে করেন। ইন্দোনেশিয়ার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত আরিফ সোয়ুকু দুতবাসের ১০ উর্ধতণ কর্মকর্তা নিয়ে আনুষ্ঠানিক সফরে ফ্যাক্টরি পরিদর্শন করেন। তাদের চিন্তাধারা রয়েছে ভবিষ্যতে আমাদের সাথে কাজ করার। পরিদর্শনকালে চাঁপাই এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিজের এমডি শফিকুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
পরে ভারপ্রাপ্ত রাষ্টদূতের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি শিবগঞ্জ উপজেলার মোবারকপুর এলাকার হাসনাত মামুন এবং ধোবড়া এলাকার শামীম আহমেদেওে আমবাগান পরিদর্শন করেন। শেষে প্রতিনিধিদলটি সোনামসজিদ স্থলবন্দর পরিদর্শন করেন।