পত্র লিখিস,
অভিমানের! তাও লিখিস, তবুও তুই পত্র লিখিস।
সোনার মত যত্নে রাখা আমার কথা, বারো মাসের
যেসব কথা ভাবিস তুই। সরু স্রোতের এক পুকুরে পালক ভাসে যেমন করে,
খাতার পাতা সাজিয়ে দিস!
তবুও তুই পত্র লিখিস। ।
তোকে দিলাম একটা কাঁথার এপিঠ ওপিঠ
মায়ের হাতের নকশা আঁকা।
সোজা বলে কিছু নেই, সব পথই যে আঁকাবাঁকা।
সুন্দরতার মানে! বুকের ভেতর থাকে।
প্রশ্ন করে কি করবি? পত্র লিখিস।
নগর ভাসে উৎসব আর উদ্দীপনায়,
তার ভেতরে ছেঁড়া জামায় আমায় এখন বেশ মানায়!
ঠিক ঠিকানা বলে না কেউ,
মেরুদন্ডের হাড় বেঁকেছে, চিলকা হ্রদের ঢেউ।
পত্র লিখিস, বজ্রবাসে, অভিমানে, যা কিছু তোর মনে আসে।