বসন্ত কি দিল ধরা শেষবেলায়!
কেটে গেছে অগুনতি ফাগুন বেলা
একলা কেটেছে বেরঙা হয়ে বছরের পর বছর
ফাগুন সন্ধ্যায় জীবনের উপোষী চাঁদের আলো
বিষণ্ণ শয্যায় তার মায়ার জোছনা মাখিয়ে গেছে
ফুল হীন বারান্দাটা ঢাকা থাকতো
নিরানন্দের অন্ধকারের জালে।
এই জাল কেটে আসেনি বসন্তের উদাসী বাতাস।
আজ মনে হয় কেনো বৃথা যাবে এ জীবন!
শেষ খেয়ায় কুড়িয়ে নিয়ে যাই একমুঠো খুশি
একটু ফাগুনের হলুদ কৃষ্ণচূড়ার ডাল,
জীবনের কর্তব্য শেষ হয়ে গেছে সব,
অন্তহীন কর্তব্যের মাঝে ভুলেই ছিলাম খোয়াইয়ের
ধারে চাঁদের আলোর কথা।
অবসাদগ্রস্ত অসুস্থ শরীর মন নিয়ে আমি পড়ে আছি
জীবনের এক নীরব নির্জনতার আড়ালে।
এবার কিছু চাই
যাবার বেলা কিছু যেন পাই,
সেটুকুই হবে আমার শেষ তরীর
শেষ যাত্রার একটু অঙ্গীকার।
সব পেয়েছি আজ,
আমারই আত্মজা দিয়েছে আমায় ভরা সুখের
বসন্তের স্বাধীন ডালি।
পেলাম ভালো বাসা, পেলামনা শুধু ভালোবাসা।
সবার কাছে আমি এখন ব্রাত্য,
কিন্তু ভালোবাসা এসেছে আমার পাঠক ভাইবোন
আর বন্ধুদের কাছ থেকে।
তাদের অকৃত্রিম নিঃস্বার্থ ভালোবাসা
তাদের গলায় দিদিভাই ডাকের অমূল্য আস্বাদন
আমি প্রাণভরে গ্রহণ করেছি।
অনেক পাওয়ার মাঝেও
কি যেন না পাওয়া থেকে গেলো,
শেষ পথে আসবে কি কেউ!
হাত ধরে বলবে আমায়
"আমি এলাম তোমার কাছে "।