ভেতরে আমার সাজানো ঘর ...
সদর দোরে খিল মারা ছিলো শক্ত পোক্ত
ঝাঁ চকচকে মেঝেতে রঙিন কার্পেট
জানালা মোড়ানো সিল্কের পর্দা
রান্নাঘরের তাকে জাফরান শাহীজিরে
কাবুলের কিশমিশ বাদাম ...
শর্ষে ইলিশ রান্না করছিলাম...............
তোমার পাতাবাহারটা বাড়তে বাড়তে
আমার ব্যালকনিতে হুমড়ি খাচ্ছে কেমন নির্লজ্জ ভঙ্গিতে
আহারে ! উঠতি কবি তুমি
ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে তোমার নতুন নতুন
কবিতা শুনছি কাণ্ডজ্ঞানহীন
ব্যালকনির পেছনে আমার তাবৎ সংসার
আমার স্বর্গরাজ্য
হাতে মেহেদি পরছিলাম। অসময়ে
তুমি ডাকলে 'এই মেয়ে কবিতা কবিতা শুনে যাও
তোমার নামটা যেন কি ?
- নাম ? সনদপত্র দেখতে হবে।
দিয়ে দাওনা একটা নাম!
তুমি কবি, শ্রাবণী বলে ডাকলে
তাইলে তুমি বর্ষণ -
বাইরে অঝোর বৃষ্টি !
ব্যালকনিটা থই থই
আকাশের মুখটা ভারী
আবারো নামলো বুঝি
তুমি ডাকলে
‘- আমার আজ অনেক কাজ
পারলে গাছটা কেটে ফেলো
আমাদের বসতে অসুবিধে হচ্ছে......
.........বাজারের ফর্দটা বানাতে হবে
চাল ডাল নুন ডায়পার সেনেটারি নেপকিন সেভিং কিট
ভিতরে আমার সাজানো ড্রইং .........’