পা র মি তা চ্যা টা র্জি

  • ন্যায্য দাবী
  • ২০২৫-০৬-০৪ ১৫:১৭:৪৮
image

জীবনের  তরী ভেসে যেতে পারে  স্রোতের গহীনে
মাতৃভাষার তরী  ডুববেনা ভেসে  থাকবে জীবন মাঝে
যদি বা বাইতে  পারে  জীবনের এই তরী
তারই সাথে  বয়ে যাবে মায়ের ভাষার তরী
মাতৃভাষা হল আমাদের  মাতৃদুগ্ধ  অমৃত সমান
এ অমৃত  কি   হারিয়ে যেতে পারে প্লাবনের উচ্ছাসে
১৯শে  মে ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় করিমগঞ্জ ও শীলচরে
বরাক  উপত্যকার  জেগে উঠেছিল যে বিদ্রোহ 
সে আন্দোলনে পুলিশের গুলির   সামনে  দাঁড়িয়ে  এগারো জন বাঙালি ভাষা শহীদ হন।
১৯৬১ শালে ভারতের আসাম সরকার বাঙালি অধ্যুষিত এলসকা শীলচর করিমগঞ্জ হাইলাকান্দু  শুধু  সংখ্যাগরিষ্ঠ  বাঙালি জাতিকে সরকারি মর্যদা
ন্যায্য  দাবী  আদায়ের  ন্যায্য আন্দোলন। আসামের  বাঙালিরা শীলচরের মায়ের ভাষায় কথা বলার জন্মগত
অধিকার   প্রতিষ্ঠার   জন্য এগারো জন বীর বাঙালি ভাষা শহীদ হয়েছিলেন। 
ভারতের  আসাম  প্রাদেশিক সরকার বরাক  উপত্যকায় 
বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলে  শীলচর করিমগঞ্জে  বাঙালির প্রাণের ভাষা  বাংলা কে বাদ দিয়ে অহমিয়া ভাষাকে একমাত্র সরকারি ভাষায় প্রতিষ্ঠিত করায় ক্ষোভে ফেটে 
পড়ে মাতৃভাষা অন্ত প্রান বাঙলি এই ক্ষোভই পরে আন্দোলনের রূপ নেয়। 
উনিশে মে সকাল সন্ধ্যা ধর্মঘটে  শীলচর  রেলওয়ে স্টেশনে  রেলওয়ে অবরোধের সময় বাংলা ভাষা আন্দোলনকারীদের  ওপর  নির্বিচারে গুলি  বর্ষণ করে
রক্তাক্ত হিংসাত্মক  এক  আন্দোলনে পরিণত করে। 
বাঙালির রক্তে রাঙা হয়ে যায়  শীলচর  রেলওয়ে  স্টেশন, পুলিশের প্রবল গুলি বর্ষণে এগারো জন বাঙসলি ভাষা শহীদ  হন। কমলা ভট্টাচার্য পৃথিবীর একমাত্র  ভাষা মহিলা ভাষা শহীদ, শচীন্দ্র পাল বীরেন্দ্র সূত্রধর  কসনাইলাল নিয়োগী, চণ্ডীচরণ সূত্রধর ইত্যাদি এগারো জন  বাঙালি ভাষা শহীদ ও প্রায় পঞ্চাশ জনেরও বেশি নিহত হন।
আসাম সরকার আন্দোলনকারীদের চাপের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত  বাংলা ভাষাকে ২য়  সরকারি ভাসা রূপে মেনে নিতে বাধ্য হয়  ।