কঙ্কালের চোখে আগুন আজ
মাটির বুকে জ্বলছে অগুন্তি শ্মশান
আগুনের প্রতাপ দেবালয়ের বুকেও
ঐশি গ্রন্থের মুখ তাই ম্লান।
ক্ষুধার্ত হাত আজ ঝাপটে ধরে সূর্য
ক্ষুধার হিংস্র আঁচড় লেগে আছে তার
রক্ত, মাংস, মস্তিষ্কে।
জোছনার চাঁদ, তাঁরা, নক্ষত্রও গিলে খাবে সে
পাহাড়ের বুক খুবলে খাবে,
তীব্র চুমুকে খাবে ঝর্ণার জল
জন্মক্ষুধার আসক্তি তার আষ্টেপৃষ্টে।
ক্ষুধার্ত মস্তিষ্ক ভুলে যায় স্বর্গের বিধান
অন্নের থালায় ভরে আছে বারুদের ঘ্রান
জলের গ্লাস বেয়ে গড়িয়ে পরছে রক্ত
পৃথিবীর পথের ধুলো মিশে গেছে রক্তের স্রোতে
জীবন বিধানের অলৌকিক শব্দের গ্রন্থে উপছে পড়ে
ক্ষুধার্ত ক্রোধের আগ্নেয়গিরির লাভা
গ্রন্থের শরীর ভিজে যায় ক্ষুধার জলে, বুকের রক্তে।
ফুলের বাগান আজ ডুবে যায় রক্তের স্রোতে
ফুলের বুকে লাথি মেরে ফনা তুলে ভেসে উঠে
বিষধর সাপ
মাথায় তার মিথ্যার অলৌকিক স্বর্গের চাবি।