মওলানা ভাসানীকে স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা হিসেবে স্বীকৃতরি দাবি জানিয়েছে কাজী ছাব্বীর

  • স্বপন কুমার সাহা
  • ২০২৫-০৫-১৬ ২০:৩০:০৯
image

মজলুম জননেতা  মওলানা ভাসানীকে স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা হিসেবে রাষ্ট্রীয় ভাবে স্বীকৃতির দাবি জানয়িছেনে ন্যাশনাল কংগ্রেস বাংলাদেশ- এনসিবি’র চেয়ারম্যান ও  সাবেক  ছাত্রনেতা কাজী ছাব্বীর। তিনি  বলনে, মজলুম জননেতা  মওলানা ভাসানী দীর্ঘ ২৩ বছর পশ্চিম পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে  লড়াই সংগ্রাম করেছিলেন। মওলানা ভাসানীর স্বাধিকার আন্দোলন থেকেই স্বাধীনতা আন্দোলনের সুত্রপাত ঘটে। ১৯৩৪ সালের বৃটিশ শাসকের বিরুদ্ধে লাইন প্রথা আন্দোলন, ৫৪ সালে ২১ দফা, ৬৯ এর গণ-আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন মওলানা ভাসানী। ১৯৭১ সালে  মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১০ এপ্রিল গঠিত প্রবাসী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন মওলানা ভাসানী। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত আওয়ামী দু:শাসনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানোয় শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে মওলানা ভাসানীকে গ্রেফতার করা হয়। বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে এসব মুছে ফেলা হয়েছে। তাই আগামী প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস জানার জন্য এসকল তথ্যাদি বই পুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা হিসেবে মওলানা ভাসানীকে রাষ্ট্রীয় ভাবে স্বীকৃতি দিতে কাজী ছাব্বীর সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি  (ভাসানী)’র সভাপতি স্বপন সাহা’র সভাপতিত্বে এবং কবি সানজিদা রসুলের সঞ্চালনায় ১৬ মে,  শুক্রবার, বাংলাদশ শিশু কল্যাণ পরিষদের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক ফারাক্কা লং মার্চের স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এনসিবি’র চেয়ারম্যান এসব কথা বলনে।
প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি(ভাসানী)’র  সিনি: সহ-সভাপতি নাজিম উদ্দিন, মানবতার দেয়াল ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোঃ আবুল বাশার, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ভাসানী)’র  যুগ্ম-সম্পাদক মুনসুর রহমান ও টিমুনি খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
সভাপতির বক্তব্যে স্বপন কুমার সাহা বলেন, মওলানা ভাসানী গণতন্ত্র, প্রগতি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নেতা ছিলেন। মওলানা ভাসানীর আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির সর্বস্তরের নেতার্মীদের নৈতিক দায়িত্ব।
উক্ত আলোচনা সভার শুরুতেই কৃষক শ্রমিক পার্টির চেয়ারম্যান সিরাজুল হক উদ্বোধনী বক্তব্যের সময় হাট অ্যাটাক হলে তাকে সাথে সাথে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরী বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার মৃত্যুতে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ভাসানী) নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।