মানুষ এখন এতোটাই বেপরোয়া, লুটেরা, আগ্রাসী, দখলদার; না শীত, কিংবা গ্রীষ্ম
কোনো ঋতুতে এদের আধিপত্য বিস্তার রুখে দিতে পারছে না কোন মানুষের কারখানা!
প্রকৃতির দাবানল কিংবা টর্নেডোও হুঁশ ফেরাতে পারে না। এরা যুদ্ধবাজ, খুনি;
শুধুই রক্ত চায়, সীমানা দখল করে বিশ্বজুড়ে করোদ রাজ্য গড়ে তুলতে চায়।
কোনো সভ্যতায় এদের আগ্রাসন রুখে দিতে পারে না।
এদের মননে মারণাস্ত্র, হৃদয়ে বুলেটের ট্রুপার
মানবতা মানে প্রতিদিন মানুষের মরণ!
কোন্ কবিতা এদের মনন জয় করবে? বিশ্বকবির জন্মজয়ন্তী-ই কি;
কিংবা পঁচিশে বৈশাখের খবর রেখেই বা কী লাভ!
নারী, পুরুষ, শিশুর হাজার হাজার মৃত্যু;
একটু একটু করে সীমানা দখল মানেই বিজয়ী।
কে বাঁচলো, কে মরলো, ঘরহারা হলো কারা;
এসব হিসাবে নেই..!
দেশদখল, মানুষ মারা ডাল ভাতের চেয়েও সহজ এদের কাছে এখন।
ইউনাইটেড নেশন শুধু একটা একটা একটা যুদ্ধবিগ্রহ দেশে তাবু গেঁড়ে,
নোফ্লাই জোনে মিলিটারী ম্যাপিং করে; বিশ্ববাসীকে করিডোরের সুবিধা শোনায়!
এদের কাছে যুদ্ধ এবং বারুদই হলো জীবনের সবচেয়ে বড় উৎসব,
বৈশাখেই কী বসন্ত, বা শীতে
কোন ঋতুতে এদের আধিপত্য কমে না
এরা পৃথিবীটাকে একটা কলোনি করে
কালচারাল হেজিমনির ফেস্টিভ্যাল করতে চায়।
কে ফিলিপ ফ্রেনিউ, কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর?
কে- মাহমুদ দারবিশ?
কে কোন দেশের কবিতার জনক, কে-ইবা বিশ্বকবি, কে-ইবা নিজদেশে শরণার্থী?
এতোসব প্রশ্নের উত্তর দখলদার, আগ্রাসনী, খুনিদের কাছে নেই!
তাই কবিতার পুষ্পিত সুসময়ও নয় এখন!